রাজধানীতে গ্যাস সংকট; চরম ভোগান্তিতে নগরবাসী

গ্যাস সংকট
গ্যাস সংকট | ছবি : এখন টিভি
0

গ্যাস সংকটে রাজধানী জুড়ে ফিলিং স্টেশনগুলোতে স্থবির গণপরিবহন ও ব্যক্তিগত যানবাহনের চাকা। পাম্পের দীর্ঘ লাইনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থাকায় আয়ের মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়ছেন উবার ও পাঠাওয়ের মতো রাইড শেয়ারিং অ্যাপের সিএনজিচালিত গাড়ির চালকরা। এছাড়া, গ্যাস না থাকায় অনেক এলাকায় চুলাগুলোতেও আগুন জ্বলছে না।

প্রায় দুইসপ্তাহেও সংকট কাটেনি দেশের জ্বালানি খাতের। উবার কিংবা পাঠাও- পাম্পের দীর্ঘ লাইনে আটকা পড়ে এখন চরম সংকটে রাইড শেয়ারিং চালকদের জীবন-জীবিকা। সিএনজিচালিত যেসব প্রাইভেটকার অ্যাপের ওপর ভরসা করে পরিবার চালায়, দিনের বড় একটি সময় তাদের পার হচ্ছে পাম্পের লাইনে। পিক-আওয়ারে যেখানে যাত্রী নিয়ে রাস্তায় থাকার কথা, সেখানে ঘণ্টার পর ঘণ্টা জ্বালানির অপেক্ষায় বসে থাকায় ধস নেমেছে তাদের প্রতিদিনের আয়-রোজগারে।

উবার চালকরা জানান, তারা ঠিকমতো গ্যাস পাচ্ছেন না। অনেক সময় লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করার পর গ্যাস পাচ্ছেন না তারা।

আরও পড়ুন:

একই চিত্র সিএনজিচালিত অটো রিকশাগুলোতেও। সকালে বের হয়ে কাঙ্ক্ষিত গ্যাস না পেয়ে এক পাম্প থেকে অন্য পাম্পে ছুটতে হচ্ছে চালকদের। পাম্পে পাম্পে ঘুরে সময় নষ্ট হওয়ায় দিনশেষে মহাজনের জমার টাকা আর পরিবারের খরচ তোলা দুঃসাধ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে তাদের জন্য।

সিএনজিচালকরা জানান, তারা দুর্ভগের মধ্যে আছেন। তাদের ইনকাম আগের তুলনায় অনেক কমে গেছে।

পাম্প কর্তৃপক্ষ বলছে- লাইন থেকে পর্যাপ্ত গ্যাসের প্রেশার বা চাপ না পাওয়ায় অধিকাংশ সময় মেশিন বন্ধ রাখতে হচ্ছে। ফলে যে পাম্পগুলোতে সবসময় ব্যস্ততা লেগে থাকতো, সেখানে এখন অলস সময় পার করছেন পাম্পগুলোর কর্মচারীরা।

পাম্প কর্তৃপক্ষরা জানান, তারা পাম্প বন্ধ রাখতে চাচ্ছেন না। যে পরিমাণে গ্যাস আছে সে অনুযায়ী পাম্পগুলো চালাচ্ছে।

পেট্রোবাংলা জানাচ্ছে, দেশিয় কূপে উৎপাদন কমার পাশাপাশি মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনাল বিকল থাকায় জাতীয় গ্রিডে দৈনিক প্রায় ১২০ কোটি ঘনফুট গ্যাসের ঘাটতি তৈরি হয়েছে। কারিগরি দল কাজ করলেও এই মুহূর্তে

এফএস