ফিফা র্যাংকিংয়ে মালয়েশিয়া ১৩৬, আর বাংলাদেশ ১৮১ নম্বরে। আসিয়ান কাপের লড়াইয়ে র্যাংকিংয়ের ব্যবধানটা যেন মাঠে আরও স্পষ্ট। আগের দুই ম্যাচে গোল করতে না পারা মালয়রা এ ম্যাচে লাল-সবুজদের বিপক্ষে শুরু থেকেই ছিলো আক্রমণাত্মক। ৪ মিনিটেই টিং ডানিয়েলের মাপা শট চিপ করে বারের ওপর দিয়ে পাঠিয়ে দেন মেহেদী হাসান শ্রাবণ।
ম্যাচের ১৮ মিনিটে প্রথম গোল পায় মালয়েশিয়া। মাঝমাঠ থেকে বাড়ানো বল নিয়ে বাংলাদেশের ডি-বক্সে ঢুকে পড়েন ১০ নম্বর জার্সিধারী আরিফ আইমান। তপু বর্মণের বাধা এড়িয়ে গোলরক্ষক মেহেদী হাসান শ্রাবণকেও পরাস্ত করেন তিনি। আলতো টোকায় বল জালে জড়িয়ে বাংলাদেশকে পিছিয়ে দেন আরিফ।
আরও পড়ুন:
৩৮ মিনিটে আবারও বাংলাদেশের জালে বল পাঠান আরিফ আইমান। তপু বর্মণের ভুল পাস থেকে বল পেয়ে যান মালয়েশিয়ার এই ফরোয়ার্ড। সুযোগ কাজে লাগাতে কোনো ভুল করেননি তিনি। নিজের দ্বিতীয় গোলের পাশাপাশি দলের ব্যবধানও দ্বিগুণ করেন আরিফ। প্রথমার্ধ শেষ হয় ২–০ গোলে।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে কিছুটা আক্রমণাত্মক হওয়ার চেষ্টা করে বাংলাদেশ। তবে ৫২ মিনিটেই আবারও গোল হজম করে তারা। ডানপ্রান্ত থেকে আসা বল বাম পায়ে নিয়ন্ত্রণ করে ডান পায়ে শট নেন ব্রাজিলে জন্ম নেয়া মালয়েশিয়ান ফরোয়ার্ড বের্গসন গুস্তাভো। শটে খুব বেশি গতি না থাকলেও তা ঠেকাতে পারেননি শ্রাবণ। এতে ব্যবধান দাঁড়ায় ৩–০।
দ্বিতীয়ার্ধে কয়েকটি সুযোগ তৈরি করেছিলো বাংলাদেশ। সবচেয়ে বড় সুযোগটি আসে ৭৬ মিনিটে। সতীর্থের বাড়ানো বলে ডি-বক্সে ঢুকে গোলরক্ষককে একা পেয়েও লক্ষ্যভেদ করতে পারেননি হামজা চৌধুরী। তার প্রথম শট ঠেকিয়ে দেন মালয়েশিয়ার গোলরক্ষক, ফিরতি শটও কর্নারের বিনিময়ে রুখে দেন তিনি। শেষ পর্যন্ত আর গোল না হওয়ায় ৩–০ ব্যবধানে হার নিয়েই ফিফা আসিয়ান কাপের অভিযান শুরু করল বাংলাদেশ।





