গ্যাসের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা দীর্ঘ লাইন। কিন্তু চাহিদামতো মিলছে না সরবরাহ। নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন সিএনজি ফিলিং স্টেশনের চিত্র এমনই।
মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে কারিগরি সমস্যার কারণে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ায় এমন সংকট তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন সিএনজিচালিত যানবাহনের চালক ও যাত্রীরা। ব্যবসায়িক ক্ষতির মুখে পড়েছেন স্টেশন মালিকরাও।
নারায়ণগঞ্জের পাশাপাশি গ্যাস সংকটের প্রভাব পড়েছে নরসিংদীর শিল্পখাতেও। গ্যাসের সঙ্গে বিদ্যুৎ সংকট যোগ হওয়ায় গত এক সপ্তাহ ধরে ব্যাহত হচ্ছে উৎপাদন। মাধবদী, চৌয়ালাসহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় ১২ হাজারের বেশি ছোট-বড় কারখানায় লেনদেন কমেছে প্রায় ৪০ শতাংশ।
আরও পড়ুন:
এর মধ্যেই কিছু স্টেশনে অবৈধভাবে সিলিন্ডারে গ্যাস দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তবে অভিযোগ নিয়ে রাজনৈতিক চাপের কথা জানিয়েছেন কয়েকটি স্টেশনের কর্মকর্তারা।
স্টার সিএনজি ফিলিং স্টেশনের ব্যবস্থাপক (অ্যাকাউন্টস) মো. শাহাবুদ্দিন বলেন, ‘যেহেতু দিনের বেলা ছোট গাড়ির চাপ থাকে, তাই অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে ছোট গাড়িতে দেয়া হয়েছিলো। কয়েকদিন যখন সমস্যা তৈরি হয়েছে, তখন থেকে দেয়ার সুযোগ নেই। কারণ, ছোট গাড়িতে দেয়ার পরই না বড় গাড়িতে দিতে পারবো।’
তবে গ্যাস সংকট ও কন্টেইনারে গ্যাস দেয়ার অভিযোগের বিষয়ে তিতাস গ্যাসের বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
দুই জেলার শিল্প ও পরিবহন খাতে অন্তত ৮ লাখ মানুষ এই সংকটে সরাসরি ভোগান্তিতে পড়েছেন বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের। দ্রুত গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।





