ফের চালু ঢাকা-নারিতা ফ্লাইট; জাপানের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারের আশা

ঢাকা-নারিতা ফ্লাইট
ঢাকা-নারিতা ফ্লাইট | ছবি : সংগৃহীত
0

দীর্ঘ এক বছরের বেশি সময় বন্ধ থাকার পর ফের চালু হলো বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ঢাকা-নারিতা-ঢাকা রুটের সরাসরি ফ্লাইট। এর উদ্বোধন করে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আশা করেন, সরাসরি ফ্লাইট সুবিধার কারণে বাংলাদেশ-জাপান বাণিজ্য, বিনিয়োগ, পর্যটন ও শিক্ষা সম্পর্ক জোরদার হবে। অন্যদিকে বিমান প্রতিমন্ত্রী জানান, চাহিদা থাকায় বোয়িংয়ের পাশাপাশি এয়ারবাসও কিনবে সরকার।

গতকাল (রোববার, ২৬ জুলাই) দিবাগত রাত ২টা ২৫ মিনিট। দীর্ঘ ৩৯২ দিনের বিরতির কাটিয়ে জাপানের নারিতার উদ্দেশে উড়াল দিল লাল সবুজের পতাকাবাহী বিমান বিজি-৩৭৬। যাত্রীদের লম্বা অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে আবারও সচল হলো বহুল প্রত্যাশিত ঢাকা নারিতা সরাসরি রুট।

এর আগে ২০২৫ সালের ১ জুলাই অপারেশনাল ও বাণিজ্যিক চ্যালেঞ্জের কথা জানিয়ে জাপানের এই রুটের ফ্লাইট স্থগিত করা হয়েছিল। এক বছরেরও বেশি সময় পর রোববার রাত ১২ টায় পুনরায় ফ্লাইটের উদ্বোধন করেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম। বলেন, এই রুট শুধু যাত্রী পরিবহনের জন্য নয়, জাপানের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য, বিনিয়োগ, পর্যটন, শিক্ষা এবং জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগকেও তরান্বিত করবে।

তিনি বলেন, ‘এই রুটের মাধ্যমে যাত্রী চলাচলই নয়; উচ্চমূল্যের কৃষি ও মৎস্য পণ্য রপ্তানি, ব্যবসায়িক যোগাযোগ, বিনিয়োগ, বিনিয়োগ, পর্যটন এবং শিক্ষা খাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।’

আরও পড়ুন:

ভবিষ্যতে যাত্রীর চাহিদা বাড়লে ফ্লাইটের সংখ্যাও বাড়ানো হবে বলেও জানান মন্ত্রী।

এদিকে ঢাকা নারিতা রুটের অপারেশনাল ও বাণিজ্যিক চ্যালেঞ্জ নেই জানিয়ে বিমান প্রতিমন্ত্রী বলেন, একটা বিমান দিয়ে ঢাকা- নারিতা ফ্লাইট চালু হলেও, সরকারের লক্ষ্য ২০৩৪ সালের মাঝে বিভিন্ন রুটে ৫০ টি ফ্লাইট দেয়া। এসময় শুধু বোয়িং নয়, চাহিদা থাকায় আরও এয়ারবাস কেনা হবে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘আমাদের ফ্লাইটের শর্টেজ আছে। ফ্রিকোয়েন্সি আছে আমাদের অনেক দেশে, যে যেখানে আমরা আমরা ফ্লাইট পাঠাতে পারছি না। এজন্য আমরা ১৪টা হ্যাঁ, সাইন করেছি বোয়িং ঠিকই আছে। আমরা পারলে ১০টি এয়ারবাসও ক্রয় করব।’

এর আগে ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে এ রুটে ফ্লাইট চালু করেছিল বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। তবে তা খুব বেশিদিন চলেনি। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, পুনরায় এই রুট নিয়মিত ও লাভজনকভাবে পরিচালিত হলে দুই দেশের অর্থনীতি, বাণিজ্য, শিক্ষা ও পর্যটনে নতুন গতি যোগ হবে।

এফএস