সোমবার এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘যুদ্ধবিরতিকে স্থায়ী করার সময় এসেছে। ব্যাপক পরিসরে মানবিক সহায়তা পৌঁছানোর সুযোগ দেয়ার সময় এসেছে এবং আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলার সময় এসেছে।’ এতে গুতেরেস পুরো অঞ্চলে দীর্ঘস্থায়ী শান্তির জন্য একটি ‘রাজনৈতিক পথ’ তৈরির আহ্বান জানান।
তিনি আরও বলেন, এই বার্ষিকী যেন শুধু আরেকটি শোকের বছর হিসেবে চিহ্নিত না হয়, বরং একটি ভিন্ন ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার নতুন সংকল্পের সূচনা করে, যেখানে ইসরায়েলি ও ফিলিস্তিনিরা শান্তি ও নিরাপত্তার সঙ্গে পাশাপাশি বসবাস করতে পারবে এবং তাদের অধিকার, মর্যাদা ও আকাঙ্ক্ষা পূরণ হবে। বিবৃতিতে ইসরাইলি হতাহতের কথাও স্বীকার করেন জাতিসংঘ মহাসচিব।
তিনি হামাসের হামলাকে ‘ভয়াবহ’ আখ্যা দিয়ে বলেন, এতে ১,২০০-এর বেশি ইসরাইলি ও বিদেশি নাগরিক নিহত ও আরও ২৫১ জনকে জিম্মি করা হয়েছিলেন।
গুতেরেস আরও বলেন, গাজার ফিলিস্তিনিরা ‘ব্যাপক প্রাণহানি, বাস্তুচ্যুতি ও ধ্বংসের’ মুখোমুখি হয়েছেন। তিনি বলেন, ‘তাদের দুর্ভোগেরও এখনই অবসান হওয়া প্রয়োজন।’ তবে তিনি ফিলিস্তিনি নিহতের নির্দিষ্ট সংখ্যা উল্লেখ করেননি।
ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গাজায় ইসরাইলের কয়েক বছর ধরে চলা সামরিক অভিযানে ৭৪,২০০-এর বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। মন্ত্রণালয়টি হামাসের নিয়ন্ত্রণাধীন হলেও জাতিসংঘ এর প্রকাশিত পরিসংখ্যানকে নির্ভরযোগ্য বলে মনে করে।
গুতেরেস স্বীকার করেন, ২০২৫ সালের অক্টোবরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষিত একটি স্বল্পমেয়াদি যুদ্ধবিরতি ‘কিছুটা স্বস্তি’ এনেছিল। তবে তিনি বলেন, এটি এখনো নিরাপত্তা, পর্যাপ্ত মানবিক সহায়তা কিংবা পুনরুদ্ধার ও শান্তির জন্য একটি বিশ্বাসযোগ্য পথ নিশ্চিত করতে পারেনি।
ইসরায়েল এখনো গাজার অধিকাংশ এলাকা নিয়ন্ত্রণ করছে। দেশটি বলছে, হামাসের নিরস্ত্রীকরণ নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তারা তাদের সেনা প্রত্যাহার করবে না।





