আজ (মঙ্গলবার, ২১ জুলাই) নিজের ফেসবুক পেজে দেয়া এক পোস্টে গাজী নজরুল ইসলাম দাবি করেন, তাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে এবং ভাইরাল ভিডিওকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হচ্ছে।
তবে গণমাধ্যমে পাঠানো তার হাতে লেখা বিবৃতিতে চলমান তারিখ লেখা ছিল ২১ জুলাই, ২০২৭। একই বিবৃতিতে ঘটনাটি সংঘটিত হওয়ার তারিখ উল্লেখ করা হয় ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৬।
আরও পড়ুন
পরে ফেসবুকে প্রকাশিত পোস্টে এ দুটি তারিখ সংশোধন করা হয়। সেখানে চলমান তারিখ ২১ জুলাই, ২০২৬ এবং ঘটনার তারিখ ১৩ জুলাই, ২০২৬ উল্লেখ করা হয়েছে।
ফেসবুক পোস্টে গাজী নজরুল ইসলাম দাবি করেন, গত ১৩ জুলাই তিনি তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা বেগম ও দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়াম আক্তারকে নিয়ে রাজধানীর মগবাজারে দ্বিতীয় স্ত্রীর বাবা মাসুম বিল্লাহর ব্যবসায়িক কার্যালয়ে যান। সেখানে অবস্থানকালে তার গাড়িচালক ও দ্বিতীয় স্ত্রীর মামা ওবায়দুল্লাহ কয়েকজন অপরিচিত ব্যক্তিকে নিয়ে কক্ষে প্রবেশ করেন এবং তাদের জিম্মি করে টাকা আদায় করেন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, পরে আরও অর্থ দাবি করা হয় এবং টাকা না দেয়ায় তাদের বিভিন্নভাবে হুমকি দেয়া হয়। তার ভাষ্য, দ্বিতীয় স্ত্রীর বাবা মাসুম বিল্লাহর সঙ্গে ওবায়দুল্লাহর পারিবারিক বিরোধের জের ধরেই এ ঘটনার সূত্রপাত।
গাজী নজরুল ইসলামের দাবি, ব্যক্তিস্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে ওবায়দুল্লাহ তাদের স্বামী-স্ত্রীর ব্যক্তিগত ও ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ভিডিও ধারণ করে ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন। পরে সেটিকে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে, যা তিনি ‘মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে দাবি করেন।
পোস্টে তিনি আরও বলেন, গত ১৭ জুন, ২০২৬ পারিবারিকভাবে এবং তার প্রথম স্ত্রীর সম্মতিতে মরিয়াম বেগমের সঙ্গে তার বিয়ে হয়েছে। তাই ভাইরাল ভিডিওকে কেন্দ্র করে প্রচারিত তথ্য সঠিক নয় বলে তিনি দাবি করেন।
একইসঙ্গে এ ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানান জামায়াতের এ সংসদ সদস্য।





