দুদকের সহকারী পরিচালক তানজির আহমেদ জানান, উপপরিচালক মো. হাফিজুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি দল বাড়িটির ভেতরে থাকা সম্পদের তালিকা করছে। তবে কী ধরনের সম্পদ পাওয়া গেছে বা কাজ শেষ হতে কত সময় লাগবে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো তথ্য জানানো হয়নি।
আদালতের নথি অনুযায়ী, জিয়াউল আহসান ও তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নামে থাকা ৩৯টি স্থাবর সম্পদ ২০২৫ সালের ২৪ এপ্রিল জব্দ করা হয়। এসব সম্পদের মধ্যে জলসিঁড়ির আটতলা বাড়িটিও রয়েছে।
দুদক জানায়, সম্পত্তিগুলো রক্ষণাবেক্ষণের জন্য কোনো তত্ত্বাবধায়ক না থাকায় সেগুলো বেহাত হওয়ার আশঙ্কা ছিল। এ কারণে তদন্ত কর্মকর্তা ও দুদকের উপপরিচালক মো. হাফিজুল ইসলামের আবেদনের পর ২০২৬ সালের ২৭ জানুয়ারি ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজ সম্পত্তিগুলোর নিয়ন্ত্রণ, ব্যবস্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য রিসিভার (তত্ত্বাবধায়ক) নিয়োগের আদেশ দেন।
আদালতের আদেশ অনুযায়ী, জলসিঁড়ির বাড়িসহ কয়েকটি সম্পত্তির রিসিভার হিসেবে গণপূর্ত বিভাগের প্রধান নির্বাহী প্রকৌশলীকে নিয়োগ দেয়া হয়। এছাড়া সম্পত্তির অবস্থান অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকদেরও তত্ত্বাবধায়কের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন:
দুদকের মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, জিয়াউল আহসান প্রায় ৪০ কোটি ৮৭ লাখ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং প্রায় ৩৪২ কোটি টাকার অস্বাভাবিক ব্যাংক লেনদেন করেছেন। একই অভিযোগে তার স্ত্রী নুসরাত জাহানের বিরুদ্ধেও পৃথক মামলা রয়েছে।
দুদকের তথ্য অনুযায়ী, ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে জিয়াউল আহসান পাঁচটি বাড়ি, তিনটি ফ্ল্যাট এবং বিপুল পরিমাণ কৃষি ও অকৃষি জমিসহ বিভিন্ন সম্পদ অর্জন করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এনটিএমসির সাবেক মহাপরিচালক জিয়াউল আহসান বর্তমানে একটি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন।





