দগ্ধরা হলেন কাস্টমার মো. ফারুক (৩৫), রিংকু (৩০), রনি (৩৬), জসিম (৪০), রফিক (২৫)। কারিগর সামশেদ (৩০), রাজু (৩৪), পাপ্পু (২৬),সাকিব (১৭) ও আরমান (৩৭)।
জাতীয় বার্ন ইনিস্টিউটের আবাসিক সার্জন শাওন বিন রহমান জানান, দগ্ধদের মধ্যে মো. ফারুকের শরীরের ৫০ শতাংশ, রিংকু ২১ শতাংশ, রনি ১০ শতাংশ, জসিম ৮ শতাংশ, রফিক ১২ শতাংশ, কারিগর সামশেদ ১৫ শতাংশ, রাজু ১৮ শতাংশ, পাপ্পু ১৮ শতাংশ , সাকিব ১ শতাংশ ও আরমান ১৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।
এদিকে আহতদের দেখতে আজ (বুধবার, ১৫ জুলাই) সকালে বার্ন ইনস্টিটিউটে যান স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন। এসময় তিনি তাদের খোঁজ খবর নেন এবং যে কোনো ধরণের সহায়তার আশ্বাস প্রদান করেন। এসি ব্যবহারকারীদের সচেতন থাকার আহ্বান জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
হাসপাতালের পরিচালক জানান, দগ্ধদের মধ্যে ৩ জনের শ্বাসনালী পুড়ে গেছে এবং বাকিদের ১৫ শতাংশ পর্যন্ত দগ্ধ হয়েছে।





