পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশ ও তাজিকিস্তানের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার করার ওপর জোর দেন। দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়েও আলোচনা করেন।
বৈঠক দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার জন্য সমঝোতা স্মারক বা চুক্তির মতো প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর ওপর জোর দেন দুই দেশের প্রতিনিধিরা। উভয়েই বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা, সাংস্কৃতিক সহযোগিতা, কূটনৈতিক ও সরকারি পাসপোর্টধারীদের জন্য ভিসা মওকুফ, পর্যটন উন্নয়ন, দ্বৈত কর পরিহার, বিনিয়োগের প্রচার ও সুরক্ষা এবং শিল্পখাতে সহযোগিতার মতো ক্ষেত্রে দ্রুত দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা চুক্তি সম্পাদনের ওপর মত দেন।
বর্তমান দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণকে খুবই নগণ্য উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী অব্যবহৃত সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে বেসরকারি খাতের পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং ব্যবসায়িক প্রতিনিধিদলের আদান-প্রদান বাড়ানোর ওপর জোর দেন।
৮১তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) সভাপতিত্বের জন্য বাংলাদেশের প্রার্থিতায় সমর্থনের জন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রী তাজিকিস্তানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। বাংলাদেশ ও তাজিকিস্তান উভয়ই আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক সমন্বয় আরও গভীর করতে এবং জাতিসংঘ ও ওআইসি-সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মঞ্চে পারস্পরিক সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করতে সম্মত হয়েছে।





