আজ (রোববার, ২১ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ১১তম দিনে চট্টগ্রাম-১৩ আসনের সংসদ সদস্য সরওয়ার জামাল নিজামের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এ তথ্য জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘গত ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ পর্যন্ত সরকারি কর্মচারীদের জনবলসংক্রান্ত হালনাগাদ তথ্যের ভিত্তিতে প্রকাশিত স্ট্যাটিসটিক্স অব পাবলিক সার্ভেন্টস ২০২৪ অনুযায়ী বর্তমানে সরকারি দপ্তরগুলোতে মোট শূন্য পদের সংখ্যা ৪ লাখ ৬৮ হাজার ২২০।’
তিনি জানান, প্রথম শ্রেণিতে (১ম থেকে ৯ম গ্রেড) শূন্য পদ রয়েছে ৬৮ হাজার ৮৮৪টি। দ্বিতীয় শ্রেণিতে (১০ম থেকে ১২তম গ্রেড) শূন্য পদের সংখ্যা ১ লাখ ২৯ হাজার ১৬৬টি। সবচেয়ে বেশি শূন্য পদ রয়েছে তৃতীয় শ্রেণিতে (১৩তম থেকে ১৬তম গ্রেড), যার সংখ্যা ১ লাখ ৪৬ হাজার ৭৯৯। এছাড়া চতুর্থ শ্রেণিতে (১৭তম থেকে ২০তম গ্রেড) শূন্য পদ রয়েছে ১ লাখ ১৫ হাজার ২৩৫টি। অনারারি, নির্দিষ্ট বেতনভুক্ত ও চুক্তিভিত্তিক অন্যান্য ক্যাটাগরিতে আরও ৮ হাজার ৯৩৬টি পদ শূন্য রয়েছে।
মো. আব্দুল বারী বলেন, ‘এই বিপুলসংখ্যক শূন্য পদ পূরণে সরকার ইতোমধ্যে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এর অংশ হিসেবে আগামী ৬ মাসের মধ্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ২ হাজার ৮৭৯টি শূন্য পদে নিয়োগ সম্পন্ন করা হবে। এছাড়া আগামী এক বছরের মধ্যে ৪ হাজার ৪৫৯টি এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার আওতায় আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে ৩ হাজার ১১০টি শূন্য পদে নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘স্বচ্ছতা ও দ্রুততার সঙ্গে পাঁচ লাখ সরকারি কর্মচারী নিয়োগ’—এই লক্ষ্য সামনে রেখে পরিকল্পনা সাজানো হয়েছে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের নিয়োগের সর্বশেষ অবস্থা এবং শূন্য পদে নিয়োগসংক্রান্ত তথ্য পাঠানোর জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে ইতোমধ্যে চিঠি দেয়া হয়েছে।





