আজ (বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন) সচিবালয়ে গণমাধ্যম কেন্দ্রে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ) আয়োজিত এক সংলাপে তিনি এ কথা জানান।
তিনি জানান, সায়েদাবাদ টার্মিনাল কাঁচপুরে, ফুলবাড়িয়া টার্মিনাল কেরানীগঞ্জে, গাবতলী টার্মিনাল হেমায়েতপুরে এবং মহাখালী টার্মিনাল উত্তরা ও আব্দুল্লাহপুরের কাছাকাছি জায়গায় চলে যাবে।
আরও পড়ুন
মন্ত্রী বলেন, ‘কলাবাগান, কল্যাণপুরসহ যে সমস্ত জায়গায় কাউন্টার, এসি কাউন্টা বা অনেকগুলো বেসরকারি বাসের কাউন্টারকে কেন্দ্র করে অস্থায়ী টার্মিনালের মতো হয়েছে, রাস্তার পাশে বাস দাঁড়িয়ে থাকে, তারা কাউন্টারগুলো পর্যায়ক্রমে সরিয়ে নেবে। আর অবশ্যই কাউন্টারের সামনে বাস এনে যাত্রী উঠাতে পারবে না, আমরা মোটামুটি এই পদক্ষেপ নিয়েছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে সড়ক মন্ত্রী জানান, পদ্মা সেতুর পিলারের কাছে মাটি অপসারণের বিষয়ে তিনি নিজেও খোঁজ নিয়েছেন। সেনাবাহিনীর সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী এবং সেতু প্রকল্পের সঙ্গে জড়িত বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। তাদের মতামত অনুযায়ী, ওই মাটি অপসারণে সেতুর কোনো ঝুঁকি নেই। বরং ফিজিবিলিটি স্টাডি অনুযায়ী নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ, নাব্যতা, পরিবেশগত ভারসাম্য এবং পানি চলাচলের সুবিধার জন্য তা অপসারণ করা প্রয়োজন।’
বিএসআরএফ’র সভাপতি মাসউদুল হকের সভাপতিত্বে সংলাপে সঞ্চালনায় ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক উবায়দুল্লাহ বাদল।




