এর আগে, সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে পুশইনের বিষয়ে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরে ভারত-বাংলাদেশ। পাশাপাশি এদিন বিজিবির পক্ষ থেকে সীমান্তে নিরস্ত্র বাংলাদেশি হত্যা ও নির্যাতন বন্ধে পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বানও জানানো হয়। দিল্লির এই বৈঠকে পুশইন প্রক্রিয়াকে অবৈধ ও আন্তর্জাতিক আইন পরিপন্থী বলে উল্লেখ করে বাংলাদেশ।
এছাড়াও, রাতের অন্ধকারে নাগরিকত্বের প্রমাণ ছাড়াই সীমান্তে লোকজনকে ঠেলে পাঠানোর অপচেষ্টা নিয়ে প্রশ্ন তোলে বিজিবি। বিপরীতে ভারতের বক্তব্য, নিজস্ব আইন ও বিদ্যমান প্রক্রিয়া মোতাবেক অবৈধদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে। বৃহস্পতিবার শেষ হচ্ছে এবারের সীমান্ত সম্মেলন।
এদিকে, বিজিবি-বিএসএফ চলমান সম্মেলনের বিষয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানান, উভয়পক্ষই সীমান্ত সংক্রান্ত বিষয়ে উদ্বেগ নিরসন ও মতবিনিময়ের জন্য চলমান সংলাপকে কাজে লাগাচ্ছে।





