শিক্ষার্থীর যুবায়ের আহম্মেদের ক্ষোভ পেট্রোল পাম্প থেকে কাঙ্ক্ষিত জ্বালানি না পাওয়ায়। ১৩ ঘণ্টা অপেক্ষা করে মিলেছে মাত্র ৫ লিটার তেল। এতে দৈনন্দিন টিউশনি ও পড়াশুনা ক্ষতগ্রস্ত হচ্ছে বলে অভিযোগ তার।
শুধু এ শিক্ষার্থী নয় এমন বাস্তবতা প্রায় সব চালকদের। দুই থেকে ৩ দিন অপেক্ষার পরও কেউ কেউ পায়নি পর্যাপ্ত তেল। গত দেড় মাস ধরে চলা তেলের এমন সংকট সময়ের সঙ্গে ভয়াবহ আকার ধারণ করছে অভিযোগ চালকদের। তেল নেয়ার জন্য আসা একজন বলেন, ‘এভাবে আর কতদিন চলেবে। গতকাল থেকে সিরিয়াল দিয়ে আসছি।’
আরও পড়ুন:
এদিকে তেল সরবারাহের ঘাটতি থাকায় বন্ধ রাজধানীর একাধিক পাম্প। খোলা থাকা পাম্প।গুলোতে বাড়ছে যানবাহনের চাপ। মাঝে মধ্যেই ঘটছে হাতাহাতির ঘটনা। তেলের সংকটের এ প্রভাব পড়ছে পেশাদার চালকদের ওপরও। পর্যাপ্ত তেল না পাওয়ায় সংসার চালাতেই হিমশিম অবস্থা।
পেশাদার এক চালক বলেন, ‘আমি এখান থেকে তেল নিবো নাকি বউ বাচ্চার জন্য খাবার কিনে নিয়ে যাবো।’
ফুয়েল স্টেশন কর্তৃপক্ষের দাবি সরবরাহ সংকটে বন্ধ থাকছে বেশিরভাগ পাম্প। আছে অতিরিক্ত তেল নেয়ার প্রবণতাও। পাম কর্তৃপক্ষের একজন বলেন, ‘আমারদের কোনো তেলের সংকট নেই। আর আমাদের যা দরকার তাই আমরা পাচ্ছি।’
অন্যদিকে ফুয়েল পাশ কিংবা রেশনিং পদ্ধতির ব্যবস্থাপনা নিয়েও আছে নানা অভিযোগ।





