সংস্কৃতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি সঠিক নেতৃত্ব দিতে পারলে আমাদের হারানো গৌরব পুনরুদ্ধার করতে পারবো। দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে আমরাই আবার সেরা হিসেবে মাথা তুলে দাঁড়াতে পারবো।’
পহেলা বৈশাখ আয়োজন নিয়ে তিনি বলেন, ‘পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে আমরা নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছি। বর্ষবরণের আয়োজন আসলে কৃষকের সংস্কৃতি। এ দেশের মানুষ আগে কখনই ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য বাইরে বা অন্য দেশে যায়নি। বরং বিভিন্ন দেশ থেকে পর্যটক, মনীষীরা এ দেশে এসেছেন। কিন্তু ঐতিহাসিক নানা কারণে আমরা অনেক পিছিয়ে গেছি। এটি পুনরুদ্ধার করা হবে।’
আরও পড়ুন:
বিশেষ অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি।
সংস্কৃতি সচিব কানিজ মওলার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক শেখ রেজাউদ্দিন আহমেদ।
পুরাতন বছরকে বিদায় জানিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে আজ থেকে শুরু হয়েছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজন। চৈত্র সংক্রান্তি ১৪৩২ অনুষ্ঠানের উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে শুরু হলো পাঁচ দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালা, লোকশিল্প প্রদর্শনী এবং বৈশাখী মেলা।
আরও পড়ুন:
সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে গ্রামীণ ঐতিহ্য এবং লোকসাহিত্যের নানান উপকরণ ও অনুষ্ঠানমালায় সাজানো হয়েছে বর্ষবরণের এ আয়োজন।
ঢাক ঢোল, লাঠিখেলা, ঘুড়ি ওড়ানো, লাটিম খেলা, জারিগান, সারিগান, পটগান, পুঁথিপাঠ, যাত্রাপালা, কবিগান, গাজির গান, গম্ভীরা, ভাওয়াইয়া গান, পুতুলনাট্য পরিবেশনা, চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, বৈশাখী মেলার বৈচিত্র্যপূর্ণ আয়োজন থাকছে বর্ষবরণে।—বাসস




