সারাদিন কাঠফাটা রোদ, রাতে কাঁথামোড়া শীত, হটাৎ দমকা হাওয়ায় কালবৈশাখী। আবহাওয়ার এ খেয়ালিপনায় বড়দের তো বটেই, শিশুরও নাজেহাল অবস্থা। চৈত্রের শেষে বাড়ছে রোগ বালাই। ডায়রিয়া, জ্বর, কাশি, টনসিল ফুলে যাওয়াসহ এ সময় নানা রোগে আক্রান্ত শিশুরা। হামের প্রাদুর্ভাবে শঙ্কিত অভিভাবকরা। হাসপাতালের আসার পর এখন আগের চেয়ে অনেকটাই সুস্থ বলে জানান হামে আক্রান্তদের স্বজনরা।
আরও পড়ুন:
এদিকে পুষ্টিবিদরা বলছেন, খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন আনলে তীব্র গরমে হিটওয়েভেও সুরক্ষিত থাকা সম্ভব। পরিমিত পানি সেবন, ফল, শাক সবজি খাবার ওপর জোর দিলেন এ পুষ্টিবিদ।
ক্লিনিক্যাল ডায়েটিশিয়ান ও পুষ্টিবিদ নুসরাত দীপা বলেন, ‘হেলদি থাকার জন্য এই গরমের মধ্যে অবশ্যই সবাইকে ডায়েট মেনে চলতে হবে। পর্যপ্ত পরিমাণে পানি খেতে হবে। ডাবের পানি, স্যুপসহ শাক-সবজি খাওয়া উচিত। ভাঁজাপোড়া জাতীয় খাবার কম খাওয়া উচিত। আর ক্যাফেইন জাতীয় খাবার কম খেতে হবে।’
এ গরমে রাস্তার পাশের শরবত ও খাবার এড়িয়ে চলার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের ।





