আজ (বুধবার, ১৭ জুন) বিকেলে জেলা কারাগারের সামনে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মিঠু আলী গোমস্তাপুর উপজেলার বাজারপাড়া এলাকার মাহাতাব উদ্দিনের ছেলে।
স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা জানান, গত ৯ মে নাচোল থানার এক পুলিশ সদস্যকে মারধরের মামলায় জেলার গোমস্তাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুল্লাহ আল রায়হানকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়।
বুধবার তিনি জামিনে মুক্তি পান। তার মুক্তির খবরে বিকেল থেকেই জেলা কারাগারের সামনে শত শত নেতাকর্মী জড়ো হন।
কারাগার থেকে বের হওয়ার পর ফুলের মালা দিয়ে রায়হানকে বরণ করে নেন নেতাকর্মীরা। এসময় স্লোগান ও আনন্দ মিছিলের মধ্য দিয়ে তাকে স্বাগত জানানো হয়। পরে কয়েকশো মোটরসাইকেল নিয়ে একটি আনন্দ র্যালিও বের করা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কারাফটকের সামনে অতিরিক্ত ভিড়ের মধ্যে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন মিঠু আলী। ধারণা করা হচ্ছে, প্রচণ্ড গরম ও মানুষের চাপে তিনি শারীরিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন। পরে তাকে উদ্ধার করে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স রাসেল টুডু জানান, সন্ধ্যায় মিঠু আলীকে হাসপাতালে আনা হয়েছিল। তবে হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. একরামুল হোসাইন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, খবর পেয়ে হাসপাতালে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিস্তারিত পরে জানানো হবে।
এর আগে চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলায় একটি পেট্রলপাম্পে ইঞ্জিন অয়েল নিতে গিয়ে পুলিশের এক কনস্টেবলকে মারধর করেন গোমস্তাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি ও গোমস্তাপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আশরাফ হোসেনের ছেলে রায়হান।
পরে মারধরের শিকার কনস্টেবল মো. শওকত বাদী হয়ে মামলা করেন। সব শেষ ৯ মে আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঢাকার উত্তরা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।





