আজ (বুধবার, ৮ এপ্রিল) সকালে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে টেবিলে উত্থাপিত কুমিল্লা-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. সেলিম ভূঁইয়ার প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী এ তথ্য জানান।
আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন অনুযায়ী বেসরকারি কলেজ সরকারিকরণ বা জাতীয়করণ কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়ে থাকে। পরবর্তীতে জাতীয়করণ করা কলেজগুলোর শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকরি সংক্রান্ত শর্তাবলী যথাযথভাবে পর্যালোচনা করে এবং প্রযোজ্য বিধি-বিধান অনুসরণ করে তাদের চাকরি জাতীয়করণ করা হয়।’
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকরি জাতীয়করণ একটি দীর্ঘমেয়াদী এবং নীতিনির্ধারণী বিষয়। এ ধরনের সিদ্ধান্ত কেবল শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একক এখতিয়ারভুক্ত নয়; বরং সরকারের সামগ্রিক আর্থিক সক্ষমতা, বিদ্যমান নীতিমালা এবং জাতীয় বাজেটের সঙ্গে এটি ওতপ্রোতভাবে সম্পৃক্ত।
শিক্ষামন্ত্রী জানান, বর্তমানে দেশে সর্বমোট ৩৪ হাজার ১২৯ বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে, যেখানে ৫ লাখ ৯৮ হাজার ৯৯৪ জন শিক্ষক এবং ২ লাখ ৬ হাজার ৬৯৯ জন কর্মচারী কর্মরত আছেন।
আরও পড়ুন:
প্রতিষ্ঠানভিত্তিক পরিসংখ্যান তুলে ধরেন শিক্ষামন্ত্রী
স্কুল: দেশে ১৮ হাজার ৫৭৮টি বেসরকারি স্কুল রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক ২ লাখ ৬৫ হাজার ৬৭৮ জন এবং কর্মচারী ৯৬ হাজার ৮৯২ জন।
স্কুল অ্যান্ড কলেজ: দেশে ১ হাজার ৪৯৩টি স্কুল এবং কলেজ রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক ৫৯ হাজার ৭৯৭ জন এবং কর্মচারী ২০ হাজার ৭৮২ জন।
কলেজ: দেশে ২ হাজার ৭৩৮টি কলেজ রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক ৮৬ হাজার ৬৪৬ জন; কর্মচারী ৩১,৯৫৬ জন।
মাদ্রাসা: দেশে ৯ হাজার ২৯৩টি মাদ্রাসা রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক ১ লাখ ৬৪ হাজার ৩৭১ জন এবং কর্মচারী ৪৫ হাজার ৫২৪ জন।
কারিগরি ও ভোকেশনাল: দেশে ২ হাজার ২৭টি ভোকেশনার ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ২২ হাজার ৫০২ জন এবং কর্মচারী ১১ হাজার ৫৪৫ জন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্ত গৃহীত হলে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকরি জাতীয়করণের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।





