এনবিআর জানায়, ঝুঁকির মাত্রা বিবেচনায় নির্ধারিত ওজন (ওয়েটেজ) অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানগুলো নির্বাচন করা হয়েছে। এতে কোনো ধরনের ম্যানুয়াল হস্তক্ষেপের সুযোগ না থাকায় অডিট নির্বাচন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত হয়েছে—যা দীর্ঘদিন ধরে করদাতা ও সুশীল সমাজের দাবি ছিল।
প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত ৬০০ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৪০৫টি উৎপাদনকারী, ৯৮টি সেবাপ্রদানকারী, ৬৫টি খুচরা ও পাইকারি বিক্রেতা এবং ৩২টি আমদানিকারক বা রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের তালিকা এনবিআরের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
এনবিআর আরও জানায়, এই পদ্ধতিতে অডিট কার্যক্রম শেষে প্রত্যাশিত ফল না পাওয়া গেলে রিস্ক ক্রাইটেরিয়া ও ওয়েটেজ পুনর্বিবেচনা করা হবে।
সংস্থাটি আশা করছে, স্বয়ংক্রিয় এই ব্যবস্থা চালুর ফলে ভ্যাট ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও কার্যকারিতা বাড়বে। একই সঙ্গে করদাতাবান্ধব পরিবেশ তৈরি এবং রাজস্ব ফাঁকি রোধেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।





