চোখে রাজ্যের ঘুম, অথচ তেলের জন্য লম্বা এই সিরিয়ালের যেন শেষ নেই।
রাজধানীর বিজয় সরণির সামনে এই চিত্র রাত ১টার। কেউ দাঁড়িয়ে সন্ধ্যা ৭টা থেকে দাঁড়িয়ে, কেউ আবার এসেছেন তারও আগে। অফিস শেষে বিশ্রামের পরিবর্তে তেলের সিরিয়ালে দাঁড়িয়েই পার করতে হচ্ছে রাতের একটা বড় অংশ।
তেলের জন্য অপেক্ষমাণ একজন চালক বলেন, ‘আমাদের প্রতি বাউন্ড পড়ে যাচ্ছে না? এ অবস্থায় গাড়িও চালানো যাচ্ছে না। স্যারদের দিয়ে যতটুক সময় পাই ততটুক সময় রেস্ট। তারপর আনার আবার ৬টায় অফিস।’
আরও পড়ুন:
কেবল তেজগাঁও নয়; রোববার রাতভর মিরপুর, মোহাম্মদপুর কিংবা আসাদগেট- সবখানেই ছিল তেলের জন্য হাহাকার। ৪-৫ ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও জ্বালানি না পেয়ে শূন্য হাতে ফিরেছেন অসংখ্য চালক। তেল না পেয়ে ফিলিং স্টেশনের কর্মীদের সাথে বাকবিতণ্ডায় জড়াতেও দেখা গেছে অনেককে।
তেল নিতে আসা একজন গ্রাহক বলেন, ‘৫ থেকে ৬ ঘণ্টা অফিস করে এসে লাইন ধরলাম৷ বাসায় যাব কখন, খাবো কখন আবার সকালে অফিসে আসবো কখন।’
রাজধানীর বেশিরভাগ ফিলিং স্টেশনে দৈনিক গড়ে ৯ হাজার লিটার জ্বালানি তেল বরাদ্দ দেয়া হচ্ছে। যার মধ্যে অকটেন ও ডিজেল থাকছে সমপরিমাণ অর্থাৎ সাড়ে ৪ হাজার লিটার করে। চাহিদার তুলনায় এই বরাদ্দ অপর্যাপ্ত বলে দাবি করছেন সংশ্লিষ্টরা।





