ফায়ার সার্ভিসের দেয়া তথ্যানুযায়ী, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টায় ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেল থেকে পাঠানো এক হোয়াটসঅ্যাপ বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।
এ বার্তায় বলা হয়, বাস থেকে উদ্ধার হওয়া মরদেহের মধ্যে ৩ শিশু (ছেলে-২, মেয়ে-১), ৬ জন নারী ও ৪ জন পুরুষ রয়েছে। এ নিয়ে দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে বাসডুবির ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে হলো ১৫ জন।
এ ঘটনায় এর আগে আরও দু’জনকে উদ্ধার করে গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
আরও পড়ুন:
এর আগে, বুধবার বিকেল সোয়া ৫টার দিকে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সৌহার্দ্য পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে যায়।
রাতে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দৌলতদিয়ায় ফেরিতে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে নিমজ্জিত বাস ও যাত্রীদের উদ্ধারে দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিআইডব্লিউটি’র উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা ও ডুবুরিদল উদ্ধারকাজ শুরু করেছে। ফায়ার সার্ভিস, বিআইডব্লিউটিসি, সেনাবাহিনী, পুলিশ, নৌপুলিশ, স্থানীয় জেলাপ্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সব দপ্তর সংস্থা উদ্ধার কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেছে।
এ ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দুর্ঘটনার পর তাৎক্ষণিক খোঁজখবর নেন এবং স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করে উদ্ধার অভিযান ও আহতদের চিকিৎসার বিষয়ে জরুরি নির্দেশনা দেন তিনি। রাতে বিএনপির অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ থেকে দেয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়।




