জানা যায়, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত গন্তব্যেই ফ্লাইটের চাহিদা সবচেয়ে বেশি।
প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১৫ থেকে ২৩টি ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছে। ১২ মার্চ সর্বোচ্চ ২৩টি ফ্লাইট সৌদি আরবের বিভিন্ন গন্তব্যে পাড়ি দিয়েছে। মার্চের শুরুর দিকে ফ্লাইটের সংখ্যা কম থাকলেও ৪ মার্চ থেকে নিয়মিত ফ্লাইট চালু হয় সংযুক্ত আরব আমিরাতে। ওমানের মাস্কাট রুটেও ধারাবাহিকভাবে প্রতিদিন গড়ে ৫ থেকে ১০টি ফ্লাইট চলাচল করেছে।
আরও পড়ুন:
পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে প্রতিদিন ফ্লাইটের সংখ্যা এক অংকের ঘরে থাকলেও মার্চ মাস থেকে তা বাড়তে থাকে।
১ থেকে ১০ মার্চ পর্যন্ত ফ্লাইট ছিলো ৩১৯টি। ১১ মার্চ থেকে ২০ মার্চ পর্যন্ত ফ্লাইট ছিলো ৪২৫টি। আর ২১ মার্চ থেকে ২৫ মার্চ পর্যন্ত ফ্লাইট ছিলো ২১৫টি। এদিকে আগামীকাল ২৬ মার্চ মোট পরিকল্পিত ফ্লাইট আছে ৫০টি।
পরিসংখ্যানে দেখা যায়, মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে প্রতিদিন গড়ে ৩৫ থেকে ৫০টি ফ্লাইট মধ্যপ্রাচ্যে রওয়ানা হয়েছে। এরমধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই রুটে যাত্রী চাপ সবচেয়ে বেশি পরিলক্ষিত হয়েছে। ২৬ মার্চের পরিকল্পিত ফ্লাইটসহ এই ২৭ দিনে মোট ফ্লাইটের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে মোট ১ হাজার ১৫-তে।





