ঈদুল ফিতর সামনে রেখে শুরু হয়েছে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা। প্রতি ঈদেই যাত্রীদের সবচেয়ে বড় অংশ ভরসা রাখেন সড়কপথে। তবে এবার শুরু থেকেই ছিল জ্বালানি তেলের সম্ভাব্য সংকটের শঙ্কা। এতে ঈদযাত্রা কতটা স্বস্তির হবে তা নিয়েও ছিল অনিশ্চয়তা।
রাজধানীর মহাখালী বাস টার্মিনালে কথা হয় দূরপাল্লার কয়েক বাস যাত্রীর সঙ্গে। যাদের গন্তব্য বগুড়ায়। এ যাত্রীদের অভিযোগ গন্তব্য অনুযায়ী টিকিট না দিয়ে ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে আরও দূরের স্টেশনের টিকিট। এক্ষেত্রে তাদের বাড়তি গুণতে হচ্ছে ৫০০ টাকা পর্যন্ত।
বগুড়ার টিকিট চাইলেও পাওয়াচ্ছে না। তা ছাড়া দাম ও অনেক বেশি নিচ্ছে বলে জানান যাত্রীরা। একজন যাত্রী বলেন, ‘৫৫০ টাকার ভাড়া আমরা কাছ থেকে নেয়া হয়েছে ৯০০ টাকা।’
আরও পড়ুন:
একই চিত্র দেখা গেলো গাবতলী বাস টার্মিনালেও। যেখানে যশোরের যাত্রীদের বাধ্য হয়ে কিনতে হচ্ছে চুয়াডাঙ্গা বা সংশ্লিষ্ট বাসগুলোর শেষ গন্তব্যের টিকিট। আবার ফরিদপুরগামী যাত্রীদের কিনতে হচ্ছে পিরোজপুর জেলার টিকিট। এ পথেরে যাত্রীরা জানান, আগের চেয়ে অনেক বেশি দামে টিকিট কিনতে হয়েছে তাদের।
তবে পরিবহন কর্তৃপক্ষ এ অভিযোগের বিপরীতে দিচ্ছেন নানা অজুহাত। বলছেন, তারা অতিরিক্ত ভাড়া নিচ্ছেন না। তবে শেষ গন্তব্যের যাত্রী না হলে লোকসানে পড়তে হবে তাদের।
পরিবহন স্টাফরা ভাড়া বেশি নেয়ার বিষয়ে একজন বলেন, ‘ যারা যাবে অনেকে মাঝ রাস্তায় নেমে যায়। তো আমরা তো আর কাউরে নিতে পারবো না। তাই শেষ স্টপের ভাড়া নেয়া হচ্ছে।’
পরিবহন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জ্বালানি তেলের সংকট এ পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলেছে। পাম্পে তেল নিতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে বাসগুলোকে। এতে অনেক বাস সময়মতো রাস্তায় নামানো যাচ্ছে না। পর্যাপ্ত তেল না পাওয়ার কথা জানান বাস স্টাফরা।
শুধু বাসই নয়, ঈদকে সামনে রেখে বাড়ছে রেন্ট-এ কারের চাহিদাও। পরিবারের সঙ্গে স্বাচ্ছন্দ্যে বাড়ি ফেরার জন্য অনেকেই ভাড়া নিচ্ছেন ব্যক্তিগত গাড়ি। তবে রেন্ট এ কার মালিকরা বলছেন, জ্বালানি সংকটের কারণে চাহিদা অনুযায়ী গাড়ি দিতে পারছেন না তারা।





