রেল-সড়ক-নৌপথে চাপ; ভাড়া নিয়ে অভিযোগ

নিষেধাজ্ঞা থাকলেও ট্রেনের ছাদে চড়ে যাচ্ছেন মানুষ
নিষেধাজ্ঞা থাকলেও ট্রেনের ছাদে চড়ে যাচ্ছেন মানুষ | ছবি: এখন টিভি
1

ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে যাত্রার ষষ্ঠ দিনে সড়ক, রেল ও নৌপথে ঘরমুখো মানুষের চাপ বেড়েছে। ভোর থেকেই রাজধানীর বাস টার্মিনাল, লঞ্চঘাট ও রেলস্টেশনগুলোতে যাত্রীদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো।

আজ (বুধবার, ১৮ মার্চ) সকাল থেকে রাজধানীর মিরপুর, মহাখালী ও গাবতলী বাস টার্মিনাল থেকে দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে যাত্রা করছেন মানুষ। বাস কাউন্টারগুলোতে টিকিটের তেমন সংকট না থাকলেও, বাড়তি ভাড়া নেয়ার অভিযোগ করেছেন যাত্রীরা। তাদের দাবি, স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় ঈদে ১৫০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত বেশি ভাড়া গুনতে হচ্ছে।

তবে বাসমালিকদের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, সরকার নির্ধারিত ভাড়ার বাইরে অতিরিক্ত কোনো অর্থ নেয়া হচ্ছে না।

এদিকে, রেলপথে তুলনামূলক স্বস্তি রয়েছে। সিডিউল বিপর্যয় না থাকায় কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে যাত্রীরা নির্ধারিত সময়েই দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে রওনা হচ্ছেন। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আজ অনলাইনে আগেই কাটা টিকিটধারীরাই ট্রেনে ভ্রমণ করছেন।

ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে হয়ে পদ্মা সেতুতেও যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। মাওয়া টোল প্লাজায় যানবাহনের উপস্থিতি থাকলেও বড় ধরনের যানজট ছাড়াই দক্ষিণাঞ্চলের যাত্রীরা স্বস্তিতে সেতু পার হচ্ছেন।

অন্যদিকে, নৌপথেও ঈদ যাত্রায় স্বস্তির চিত্র দেখা গেছে। দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২২ জেলার যাত্রীরা লঞ্চে করে তুলনামূলক ঝামেলাবিহীনভাবে গন্তব্যে পৌঁছাচ্ছেন। এ পথে অতিরিক্ত ভাড়া নেয়ার অভিযোগও নেই বলে জানিয়েছেন যাত্রীরা।

এনএইচ