গত বুধবার (১১ মার্চ) ইফতারের পর হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস।
পরে তাকে দ্রুত রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর গতকাল (শুক্রবার, ১৩ মার্চ) চিকিৎসকরা তার দুই দফায় অস্ত্রোপচার করেন।
চিকিৎসকরা জানান, মির্জা আব্বাসের অপারেশন সফল হয়েছে এবং বর্তমানে তিনি শঙ্কামুক্ত। মস্তিষ্কে ইনফেকশনজনিত কারণে রক্ত সরবরাহ বন্ধ হয়ে স্ট্রোক করেছিলেন তিনি। এখন আছেন নিবিড় পর্যবেক্ষণে।
আরও পড়ুন:
মির্জা আব্বাসের চিকিৎসক কার্ডিওলজি প্রফেসর ডা. মো. শাহাবুদ্দিন তালুকদার বলেন, ‘উনার রক্ত সাপ্লাই বন্ধ হয়ে একটা স্ট্রোক করেছেন। সিঙ্গাপুর যাওয়ার প্ল্যান ছিল, কিন্তু উনার কন্ডিশন ডিটারেট করছিল, সেজন্য ওগুলো ক্যান্সেল করে আরমা একটা অপারেশন করেছি। যেটা সাকসেসফুল। এখন ভালো আছেন, মাত্র অপারেশন হয়েছে, ভেন্টিলেশনে আছেন। এটা পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফলাফল দেখে উথড্রো করবো।’
এদিকে মির্জা আব্বাসকে নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য না ছড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন তার পরিবারের সদস্যরা।
মির্জা আব্বাসের ছেলে মির্জা ইয়াসিন আব্বাস বলেন, ‘আমরা রোজাটা ভেঙে নামাজটা পড়তে যাই, দ্বিতীয় রাকাতে গিয়ে খুব সম্ভবত মাথায় খুব জোরে ব্যথা করে উঠে। সেক্ষেত্রে আমরা সবাই নামাজ ছেড়ে বাবাকে ধরি, পরে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়ে আস্তে করে হাসপাতালে নিয়ে আসি। যেহেতু বয়স হয়েছে বাবার এবং কাজের চাপটাও একটু বেশি ছিল, এর সঙ্গে রোজা রেখে একটু স্ট্রেসের মধ্যে পরে গিয়েছিলো। আলহামদুলিল্লাহ, মনে করি বাবা অনেকটা ভালো আছেন এখন।’
এদিকে মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিতে শুক্রবার দুপুরে হাসপাতালে যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এসময় তিনি চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন।
এছাড়া বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খানসহ দলের জ্যেষ্ঠ নেতারাও হাসপাতালে গিয়ে মির্জা আব্বাসের খোঁজখবর নেন।





