ঋতুরাজ বসন্তে যখন শিমুলের রঙ লেগেছে প্রকৃতিতে, ঠিক তখনই ত্যাগ ও সংযমের মহিমায় ভাস্বর হয়ে এলো পবিত্র মাহে রমজান। ইফতারের সুবাস ছড়ানোর যে আয়োজন হয় প্রতিবছর, তারই প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে ব্যবসায়ীরা।
মো. সিরাজ, ৫ দশক ধরে বংশ পরম্পরায় বিক্রি করেন নানান পদের ঝালমুড়ি, তবে রোজা এলেই বাহারি ইফতারির পসরা নিয়ে বসেন চকবাজারে। এরইমধ্যে জায়গা নির্ধারণ করেছেন চকের আঙিনাতে। স্বপ্ন দেখছেন রমজানে দৈনিক ৬০-৭০ হাজার টাকার ইফতার বিক্রির।
মো. সিরাজ জানান, এটা তার বাবা দাদাদের সময় থেকে চলে আসছে এ ব্যবসা।
আরও পড়ুন:
শুধু চকবাজার নয়, রাজধানীজুড়ে নানাপদের মুখরোচক ও স্বাস্থ্যকর ইফতার সামগ্রী বিক্রির প্রস্তুতি নিয়েছে বিভিন্ন হোটেল ও রেস্তোরাঁ। সামিয়ানা বা ব্যানার টানিয়ে আগাম বার্তাও দিয়েছে কেউ কেউ। সেরা ইফতার সামগ্রী প্রস্তুতের পরিকল্পনা সবার।
ব্যবসায়ীরা জানান, এখান থেকে নিয়ে যাওয়ারও ব্যবস্থা রয়েছে।
এদিকে, পূর্ব প্রস্তুতি থাকলেও জ্বালানি ও গ্যাসের উচ্চমূল্য নিয়ে হতাশ ব্যবসায়ীরা। গ্যাস সংকট ইফতার বাজারে বড় প্রভাব ফেলবে বলেও দাবি অনেকের।
ব্যবসায়ীরা জানান, গ্যাসের সংকটের কারণে একই সময় অনেকজনকে খাবার দেয়া নিয়ে রয়েছে সংশয়।
চকবাজারের ছাড়াও বেইলি রোড, খিলগাঁও, বনানী-গুলশানে বসে ইফতারের মহা আয়োজন। মোহাম্মদপুরের বিহারি ক্যাম্প ও রাজধানীর ছোট-বড় রেস্তোরাঁয়ও মাসব্যাপী চলে ইফতার বিক্রির কার্যক্রম। দেশীয় ঐতিহ্যের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মানের কুজিনের পসরাও থাকবে, এবারের ইফতার আয়োজনে। ত্যাগ ও সংযমের মধ্য দিয়ে সিয়াম সাধনার মাসে ইবাদত-বন্দেগিতে সামিল হবে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা- প্রত্যাশা ব্যবসায়ীদের।





