এদিকে, নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কাছে দ্রুত ক্ষমতা হস্তান্তরের লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। সে ক্ষেত্রে আগামীকাল সোমবার বা মঙ্গলবার শপথ অনুষ্ঠান হতে পারে। একই দিনে নতুন প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যদেরও শপথ নেয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় সূত্র জানায়, নির্বাচনের গেজেট প্রকাশের পর ক্ষমতা হস্তান্তরের আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে তিন থেকে চার দিন সময় লাগতে পারে। সেই সময়সীমা শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) মাধ্যমেই শপথ অনুষ্ঠান আয়োজনের পরিকল্পনা এগোচ্ছে।
আরও পড়ুন:
সংবিধান অনুযায়ী, নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়ানোর কথা বিদায়ী স্পিকারের। এই দায়িত্বে রয়েছেন শিরীন শারমিন চৌধুরী। তবে তিনি পদত্যাগের পর থেকে প্রকাশ্যে না আসায় বিষয়টি অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। নিয়ম অনুযায়ী, তিন দিনের মধ্যে স্পিকার শপথ না পড়ালে পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে সিইসি এই দায়িত্ব পালন করতে পারেন।
বিদায়ী ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু হত্যা মামলায় কারাগারে থাকায় বিকল্প সাংবিধানিক পথও জটিল হয়ে পড়েছে। স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার দুজনের কেউ দায়িত্ব পালনে অনুপস্থিত থাকলে স্পিকারের মনোনীত ব্যক্তির মাধ্যমে শপথ নেয়ার বিধান রয়েছে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের পর সরকার পতন এবং ৬ আগস্ট সংসদ ভেঙে যাওয়ার প্রায় দেড় বছর পর নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়। ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯টিতে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয় এবং ২৯৭টির বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। উচ্চ আদালতের নির্দেশনার কারণে দুটি আসনের গেজেট প্রকাশ স্থগিত রয়েছে।
ঘোষিত ফল অনুযায়ী, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ২০৯টি আসনে জয় পেয়েছে। তাদের মিত্ররা পেয়েছে আরও তিনটি আসন। অন্যদিকে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী পেয়েছে ৬৮টি আসন এবং তাদের নেতৃত্বাধীন জোটের শরিকদের ঝুলিতে গেছে ৯টি আসন।





