এসময়ে তিনি গণতন্ত্রের উত্তরণের দায়িত্ব নাগরিক ও রাজনৈতিক দলগুলোর, আগামী সংসদ সেগুলো সমন্বয় করে বাস্তবায়ন করবে বলে প্রত্যাশা রাখেন।
আলী রীয়াজ বলেন, ‘যে দায়িত্ব জনগণ দিয়েছিল সেটি স্বীকৃত হয়েছে, গণভোটে ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ হয়েছে। এবারের নির্বাচনের ভোটের চেয়ে ১ শতাংশ বেশি গণভোটে পড়েছে। মোট গণভোট পড়েছে ৬০ দশমিক ২৬ শতাংশ এর মধ্যে হ্যাঁ ভোট পড়েছে ৬৮ শতাংশ। এছাড়া সংসদ নির্বাচনের ভোটের থেকে গণভোটে বেশি ভোট পড়াকে অস্বাভাবিক নয়।’
আরও পড়ুন:
এরই সঙ্গে নোট অব ডিসেন্ট বিষয়সহ অন্যান্য সিদ্ধান্ত নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা বিবেচনায় নেবে বলেও প্রত্যাশা রেখে আলী রীয়াজ বলেন, ‘গণভোটের বিষয়টি গণতান্ত্রিক। সব রাজনৈতিক দলেরই জুলাই সনদ নিয়ে নৈতিক ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতা রয়েছে। বিএনপি সংস্কারের পক্ষে, ঐক্যমত কমিশন মনে করে তারা এ ধারা অব্যাহত রাখবে। গণভোটের লিখিত আইনগত বিবেচনার চেয়ে রাজনৈতিক গণতন্ত্রের চর্চা করবে বিএনপি এটাই আশা করতে পারি আমরা।’
এদিকে জুলাই সনদ প্রসঙ্গে অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, ‘জুলাই সনদের প্রায়োরিটির ক্ষেত্রে উচ্চকক্ষ ৬ মাসের মধ্যেই করতে হবে। গণভোটের মধ্যদিয়ে জনগণের রায় প্রকাশিত হয়েছে। সব রাজনৈতিক দলেরই নৈতিক ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতা রয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘মোট আসনের অনুপাতে উচ্চকক্ষে আসন দিতে চায় বিএনপি। আর সনদে দেয়া আছে প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতে। আমাদের বিশ্বাস আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে তারা সিদ্ধান্ত নেবেন।’





