বৈঠকে তারা বাংলাদেশে বিদ্যমান রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, শিল্প-বাণিজ্য, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন, রাষ্ট্রীয় সংস্কার ও রোহিঙ্গা ইস্যুসহ ইত্যাদি বিষয় নিয়ে মতবিনিময় করেন।
ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় জামায়াতে ইসলামীর ইতিবাচক ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন। একই সাথে ভবিষ্যতে উভয় দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
আরও পড়ুন:
এসময় ক্রিস্টেনসেনের সঙ্গে ছিলেন দূতাবাসের পলিটিক্যাল ও ইকোনমিক কনসোলর এরিক গিলম্যান, পাবলিক অফিসার মনিকা এল সাই, পলিটিক্যাল অফিসার জেমস স্টুয়ার্ট ও পলিটিক্যাল স্পেশালিষ্ট ফিরোজ আহমেদ।
এদিকে জামায়াত আমিরের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মো. মোবারক হোসাইন ও পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মাহমুদুল হাসান।




