ক্ষমতার পালাবদলেও বদলায়নি ভাগ্য; উন্নয়নমুখী নেতৃত্ব চান ভোলার নারীরা

ভোলার নারী ভোটার
ভোলার নারী ভোটার | ছবি: এখন টিভি
1

প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আর গ্যাস বিদ্যুতে সমৃদ্ধশালী জেলা হয়েও বারবার ক্ষমতার পালাবদলেও ভাগ্য বদলায়নি ভোলার নারী ভোটারদের। নির্বাচন ঘিরে এবার বদলের প্রত্যাশায় এ জেলার নারীরা। নিরাপদ জীবন, সহিংসতামুক্ত পরিবেশ আর কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে উন্নয়নমুখী নেতৃত্ব চান তারা।

দ্বীপ জেলা ভোলায় ভোটের মাঠে এখন বড় শক্তি নারী ভোটাররা। জেলার চারটি সংসদীয় আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ১৬ লাখ ৯২ হাজার ৬৮৮ জন। যার মধ্যে নারী ভোটার ৮ লাখ ১২ হাজার ৭৭৫ জন।

জেলায় গড়ে উঠছে নতুন নতুন নারী উদ্যোক্তা। সহজ শর্তে ঋণ ও প্রশিক্ষণের অভাবে অনেক উদ্যোগ থেমে যাচ্ছে। আর নারী শিক্ষার্থীরা বলছেন, নিরাপদ শিক্ষা পরিবেশ ও ভোলাতেই কর্মসংস্থানের সুযোগ চান তারা। এছাড়াও চাকরিজীবী নারীদের দাবি সমান সুযোগ, নিরাপদ কর্মক্ষেত্রের নিশ্চয়তা।

নারী উদ্যোক্তারা ও শিক্ষার্থীরা জানান, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য বিনাসুদে ঋণের ব্যবস্থা ও বাল্যবিবাহ বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিবে এমন প্রার্থী চান তারা।

আরও পড়ুন:

এদিকে, ভোলায় পারিবারিক ও সামাজিক সহিংসতার শিকার নারীর সংখ্যাও উদ্বেগজনক। অনেক নারী আইনের আশ্রয় নিলেও বিচার পেতে দেরি হয়, কেউ কেউ পান না কাঙ্ক্ষিত ন্যায়বিচার। তাদের প্রত্যাশা নতুন সরকার যেন বিচার ব্যবস্থাকে কার্যকরের পাশাপাশি, নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।

নারী ভোটারা জানান, কর্মক্ষেত্রে নারীরা যেন সকল ‍সুযোগ-সুবিধা পায় এবং নিরাপত্তার বিষয়টা নিশ্চিত করা হয়।

ভোলার সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইবুন্যালের অ্যাডভোকেট সাজেদা আখতার বলেন, ‘নির্যাতনে শিকার হয়ে যে সব নারীরা বিচারের দাবি নিয়ে আদালতে আসেন, তাদের যেন নির্বাচিত প্রার্থীরার সহযোগীতা করেন। আর লিগ্যালএইডের যে সব আইনজীবিরা আছেন তারাও যেন সঠিক সময়ে ব্যবস্থা নেয়।’

বিচ্ছিন্ন দ্বীপ জেলা হলেও ভোটের সিদ্ধান্তে পিছিয়ে নেই ভোলার নারীরা। নিরাপদ জীবন আর সম্মানের রাজনীতি এই প্রত্যাশা নিয়েই তারা তাকিয়ে আছে নতুন সরকারের দিকে।

জেআর