এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ, জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা ও উপদেষ্টারা।
আরও পড়ুন:
সংস্কৃতি, আইন, স্বরাষ্ট্র, স্বাস্থ্যসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টারাও পরিদর্শনে অংশ নেন। জাদুঘরে জুলাই অভ্যুত্থানের ছবি, শহীদদের পোশাক, চিঠিপত্র, গুরুত্বপূর্ণ দলিল, পত্রিকার কাটিং এবং অডিও-ভিডিওসহ নানা স্মৃতিচিহ্ন সংরক্ষণ করা হয়েছে। সেখানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশত্যাগের দৃশ্যও তুলে ধরা হয়েছে। পরিদর্শনকালে প্রধান উপদেষ্টা ফ্যাসিস্ট শাসনামলে গুম, রাষ্ট্রীয় দমন-পীড়ন এবং জুলাই অভ্যুত্থানের গণহত্যা নিয়ে নির্মিত ১৫ মিনিটের একটি প্রামাণ্যচিত্র দেখেন। তিনি বলেন, ‘জুলাই শহিদদের রক্ত তাজা থাকতেই এই জাদুঘর নির্মাণ সম্ভব হয়েছে, যা বিশ্বে এক অনন্য দৃষ্টান্ত। তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে জাতি কোনো সংকটে পড়লে এই জাদুঘর থেকেই পথ খুঁজে পাওয়া যাবে।’
শিক্ষার্থীদের দলবেঁধে এখানে আসার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আয়নাঘরের অভিজ্ঞতা মানুষকে বুঝতে সাহায্য করবে কী ভয়াবহ নৃশংসতার মধ্য দিয়ে বন্দিরা সময় কাটিয়েছেন।’





