রাতভর ব্যস্ততা, ঘাম ঝরানো পরিশ্রম—রাজধানীর বাজারে ভোরের আগেই জমে ওঠে কর্মচাঞ্চল্য। ট্রাক থেকে নামে মাছ। শ্রমিকের নিরলস পরিশ্রমেই সচল থাকে সরবরাহ চেইন।
রাজধানীর পাইকারি আড়তে আগের তুলনায় মাছের সরবরাহ বাড়লেও দাম কমেনি তেমন। জ্বালানি সংকট ও পরিবহন ব্যয় বাড়ার কারণে মাছের বাজার এখনো চড়া। চাষের কই মাছ কেজিতে ২৪০ থেকে ২৮০ টাকা আর দেশি কই ৭৫০ থেকে ৮৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
নদীর দেশি চিংড়ি ৮৫০ থেকে ১২০০ টাকা, শিং মাছ ৩০০ থেকে ৩১০ এবং মাগুর ২২০ থেকে ৩২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে ৩০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ এক হাজার ২০০ থেকে এক হাজার ৩০০ টাকা, আর ৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ এক হাজার ৫০০ থেকে এক হাজার ৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
আরও পড়ুন:
ক্রেতারা বলছেন, ঈদের পর বাজারে মাছ সরবরাহ বাড়লেও কমেনি দাম। আর বিক্রেতারা বলছেন, চাষের মাছের সরবরাহ বাড়লে নদীর মাছ এখনও কম।
ক্রেতাদের মধ্যে একজন বলেন, ‘সব ধরনের মাছের দামই বাড়ছে। মানে আগের তুলনায় বর্তমানে মাছের দাম কিছু বাড়ছে।’
বিক্রেতাদের মধ্যে একজন বলেন, ‘আগের থেকে মাছের সরবরাহ বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর দাম মোটামুটি ক্রেতার সাধ্যের মধ্যেই আছে।’
ঈদের পর সরবরাহ বাড়লেও জ্বালানি সংকট ও পরিবহণ ব্যয়ের কারণে বাজারে পুরোপুরি স্বস্তি ফেরেনি। মাছের দাম এখনো চড়া থাকলেও সবজির বাজারে কিছুটা ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে।
অন্যদিকে বৃষ্টির কারণে সবজির বাজারে সরবরাহ তুলনামূলক কম। ক্রেতাদের অভিযোগ, কিছু কিছু সবজির দাম এখনো বেশি দিতে হচ্ছে।




