ছুটির দিনে শপিংমলের প্রবেশদ্বারে ক্রেতাদের দীর্ঘ লাইন, যেন নতুন পোশাকের জন্য আর তর সইছে না কারোরই। বিপণিবিতানে প্রবেশ করেই যে যার মতো পছন্দের পোশাকের খোঁজে ছুটে যান দোকানে দোকানে। থরে থরে সাজানো নানা রঙ বেরঙের পোশাক ঈদ উৎযাপনের অন্যতম অনুষঙ্গ যা, বাহ্যিক সৌন্দর্যের সঙ্গে রাঙিয়ে তুলে ক্রেতার মনকেও।
ক্রেতাদের একজন বলেন, ‘বেশ ভালো কালেকশন, অনেক ভেরিয়েশন রয়েছে। দামও হাতের নাগালেই।’
আরেকজন বলেন, ‘কালেকশন ভালো কিন্তু দাম আগেরবারের তুলনায় বেড়ে গিয়েছে।’
নানা বয়সী মানুষের ভিড়ে এখানে আসা ক্রেতারা বলছেন, পরিবারের ছোটদের জন্য পোশাক কেনার পর এখন তাদের পালা। যদিও বছর ঘুরলেই থাকে পোশাকের দাম নিয়ে অভিযোগ।
ক্রেতাদের আরেকজন বলেন, ‘আমি যে বাজেট নিয়ে এসেছি তার থেকে বেশি চলে যায়।’
বিক্রেতারা বলছেন, রোজার এই শেষ ১০ দিন বেচা-বিক্রি হয় সবচেয়ে বেশি। বিদেশি পোশাকের সাথে তাল মিলিয়ে বিক্রি হচ্ছে দেশীয় জামা-কাপড়।
বিক্রেতাদের একজন বলেন, ‘বাচ্চাদের পোশাক আমাদের বেশি বিক্রি হয়।’
ক্রেতারা বলছেন, ঈদ উদযাপনে কোনো কমতি রাখতে চাননা তারা। সামর্থ্যের মধ্যেই রাঙিয়ে তুলবেন আসছে ঈদ।