আমৃত্যু দণ্ডপ্রাপ্ত আসামীরা হলেন— ঠাকরগাঁও শহরের গোয়ালপাড়া এলাকার ইউনুস কসাইয়ের ছেলে মো. আনিস রানা, একই এলাকার মাইরুদ্দিনের ছেলে মো. সাইফুল ইসলাম ও শহরের মুন্সিপাড়া এলাকার ভোট কসাইয়ের ছেলে মো. দুলাল এবং যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্তরা হলেন- শহরের মুন্সিপাড়া এলাকার সেলিমের ছেলে মো. আনিছুর, বাংরু মোহাম্মদের ছেলে মো. খতিবুর ওরফে খতু ও বজলুর ছেলে মো. লালু।
আমৃত্যু কারাদণ্ডের পাশাপাশি ওই তিন আসামিকে দুই লক্ষ টাকা করে অর্থদণ্ডও প্রদান করা হয় এবং যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি তিন আসামিকে এক লক্ষ টাকা করে অর্থদণ্ডের পাশপাশি অনাদায়ে আরও এক বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।
মামলার বরাতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী বদিউজ্জামান চৌধুরী বাদল বলেন, ‘২০১১ সালের ২১ অক্টোবর বিকেলে রাস্তা থেকে সপ্তম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক স্কুলশিক্ষার্থীকে তুলে নিয়ে যায় আসামীরা। এরপর আসামীরা ওই শিক্ষার্থীকে পার্শবর্তী একটি মোবাইল কোম্পানীল টাওয়ারে নিয়ে গিয়ে পালাক্রমে গণধর্ষণ করে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থীর বাবা বাদী হয়ে ঠাকুরগাঁও সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।’
মামলায় স্বাক্ষ্যগ্রহণ শেষে দীর্ঘ ১৫ বছর পর আদালত . আনিস রানা, মো. সাইফুল ইসলাম ও মো. দুলালকে আমৃত্যু কারাদণ্ড প্রদান করেন এবং একই মামলার অপর তিন আসামী মো. আনিছুর, মো. খতিবুর ওরফে খতু ও মো. লালুকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেন।





