আজ (মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই) হাইকোর্টে এক ব্রিফিংয়ে ব্যারিস্টার মামুন জানান, ২০০৪ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত চুক্তির ভিত্তিতে পাওয়া মুনাফার ওপর গ্রামীণ কল্যাণ এরই মধ্যে ১৫ শতাংশ হারে উৎস কর বা ট্যাক্স অ্যাট সোর্স পরিশোধ করেছে।
আরও পড়ুন:
তবে ২০১৭ সালে একজন জয়েন্ট কমিশনার তার এখতিয়ারের বাইরে গিয়ে বেআইনিভাবে পুনরায় এ ৬৬৬ কোটি টাকা কর আরোপ করেন। এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে গ্রামীণ কল্যাণের দায়ের করা দুটি রিট মামলা বর্তমানে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চে শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে।
তিনি আরও জানান, ড. ইউনূস অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে যোগ দেয়ার পরই গ্রামীণ প্রতিষ্ঠানগুলোর চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। এসব প্রতিষ্ঠান কোম্পানি আইনের ২৮ ধারায় পরিচালিত অলাভজনক সংস্থা, যার কোনো ব্যক্তিমালিকানা নেই। তাই কর ফাঁকি বা মওকুফের বিষয়ে গণমাধ্যমে প্রচারিত খবরগুলো সম্পূর্ণ গুজব ও বিভ্রান্তিকর।





