বিশ্বের অন্তত ২১টি দেশের আদালতের কার্যক্রম সরাসরি সম্প্রচারের সুযোগ থাকলেও বাংলাদেশে এই রেওয়াজ নেই। নিষেধাজ্ঞা আছে আদালতের মধ্যে চিত্রধারণ কিংবা অডিও রেকর্ড করার।
জুলাই আগস্টের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে কয়েক দফা সংশোধন হয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন। আর এর মাধ্যমেই যুক্ত হয় সরাসরি সম্প্রচারের বিধান। এই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার ট্রাইব্যুনাল-১ এর এজলাস কক্ষে ক্যামেরাসহ অন্যান্য যন্ত্রপাতি লাগানো হয়। প্রসিকিউশন জানায় আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে ট্রাইব্যুনালের বিচার সম্প্রচার করতে পারবে গণমাধ্যমগুলো।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কৌঁসুলি গাজী তামিম বলেন, ‘বিচারকার্য চলমান আরও গতিশীল, স্বচ্ছ এবং সবার কাছে পৌঁছিয়ে দেয়ার জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে যে বিচারকার্য চলবে সেগুলোকে ট্রাইব্যুনালের অনুমতি সাপেক্ষে রেকর্ড করা যাবে এবং তা ব্রডকাস্ট করা যাবে। সোশ্যাল মিডিয়াতে বা অন্যকোনো মাধ্যমে এটি করা যাবে। ট্রাইব্যুনালের সেই সেটআপটা ওখানে ক্যামেরা, সাউন্ড সিস্টেম এবং সব প্রকার ডিজিটালাইজেশনটা সম্পন্ন হয়েছে।’
এদিকে সুপ্রিমকোর্টের জনগুরুত্বপূর্ণ ও সাংবিধানিক মামলাগুলোর শুনানি সরাসরি সম্প্রচার করার নির্দেশনা কেন দেয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। আইনজীবী জানান, বিচারিক কার্যক্রম দেশের নাগরিকরা সরাসরি দেখতে পারলে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বাড়বে।
রিটকারীদের আইনজীবী শিশির মনির বলেন, ‘আমরা আশা করবো যে এই ব্যবস্থা যদি আমাদের উচ্চ আদালতে ইনট্রোডিউজ করা যায় ভারত, পাকিস্তান, ইংল্যান্ড, আমেরিকাসহ ২১ টি দেশের সিস্টেম আমরা দেখিয়েছি। যেখানে আমাদের চেয়েও আরও দুর্বল দেশেও এ ধরনের টেকনিক্যাল ব্যবস্থা চালু আছে। যদি এটা চালু করা যায় তাহলে আমাদের বিচারব্যবস্থার ইতিহাসে আরেকটা নতুন ডায়মেনশন যুক্ত করা সম্ভব হবে বলে আমরা মনে করি। আগামী ২৬ জুন পরবর্তী আদেশের জন্য দিন নির্ধারণ করেছেন।’
সংবিধানের ৩৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, জনগুরুত্বপূর্ণ বিচারিক কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করা নাগরিকদের অধিকার বলেও জানান আইনজীবী।





 says was a U.S. strike on an Iranian military targe-320x167.webp)