মুখপাত্র জানান, মহাসচিব আঙ্কারা থেকে বৈরুত পৌঁছে লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন, স্পিকার নাবিহ বেরি এবং প্রধানমন্ত্রী নাওয়াফ সালামের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।
গুতেরেস স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘লেবাননের জনগণ এই যুদ্ধ বেছে নেয়নি, তাদের ওপর এটি চাপিয়ে দেয়া হয়েছে।’
সফরকালে তিনি ক্ষতিগ্রস্ত ১০ লাখ মানুষের জরুরি সহায়তার জন্য ৩০ কোটি ৮৩ লাখ মার্কিন ডলারের একটি বিশেষ মানবিক আবেদন বা ‘ফ্ল্যাশ আপিল’ ঘোষণা করেছেন। জাতিসংঘের তথ্যমতে, লেবাননে বর্তমানে ৮ লাখ ২২ হাজারের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত, যার মধ্যে প্রায় তিন লাখ শিশু।
আরও পড়ুন:
গাজা পরিস্থিতির ওপর গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে দুজারিক বলেন, ‘গত দুই দিনে কেরেম শালোম ক্রসিং দিয়ে জ্বালানি ছাড়া অন্য কোনো ত্রাণবাহী ট্রাক প্রবেশ করতে দেয়া হয়নি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ১৭০ প্যালেট ওষুধ এবং নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের (আইসিইউ) বিছানা ক্রসিং পয়েন্টে নামিয়ে রাখা হলেও তা গাজায় নিয়ে যাওয়ার অনুমতি মেলেনি। এছাড়া সংঘাতের কারণে ফিলিস্তিনে লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা এবং আত্মহত্যার প্রবণতা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে।’
এদিকে জাতিসংঘের মানবিক বিষয়ক প্রধান টম ফ্লেচার হরমুজ প্রণালী দিয়ে ত্রাণবাহী জাহাজ চলাচলে বাধার বিষয়ে সতর্ক করেছেন। তিনি জানান, এই সংকটের কারণে গাজায় আটার দাম ২৭০ শতাংশ বেড়েছে এবং বিশ্বজুড়ে শিপিং খরচ ১৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। সোমালিয়াসহ পূর্ব আফ্রিকার দেশগুলোতে মানবিক সহায়তা পৌঁছাতে ছয় মাস পর্যন্ত দেরি হতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
ব্রিফিংয়ে কানাডা, বেলজিয়াম, যুক্তরাষ্ট্র ও নেদারল্যান্ডসে ইহুদি উপাসনালয়ে সাম্প্রতিক হামলার তীব্র নিন্দা জানান মহাসচিব। এছাড়া ১৫ মার্চ আন্তর্জাতিক ইসলামোফোবিয়া মোকাবিলা দিবস উপলক্ষে এক বার্তায় তিনি বিশ্বজুড়ে মুসলিমদের বিরুদ্ধে প্রাতিষ্ঠানিক বৈষম্য ও ঘৃণা দূর করার আহ্বান জানান। কিউবা ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান কূটনৈতিক আলোচনার সংবাদকেও স্বাগত জানিয়েছে জাতিসংঘ।





