স্থানীয় সময় আজ (শনিবার, ৩ জানুয়ারি) রাত পৌনে ২টায় যখন গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন কারাকাসের বাসিন্দারা, পরপর সাতটি বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে ভেনেজুয়েলার রাজধানী ও এর আশেপাশের এলাকা। যুদ্ধ বিমান ও হেলিকপ্টারের শব্দে বাজলো যুদ্ধের ডংকা।
এসময় আতঙ্কে ঘর ছেড়ে বাইরে ছোটাছুটি করতে দেখা গেছে বাসিন্দাদের। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, বিস্ফোরণের জেরে কারাকাসের দক্ষিণে সামরিক স্থাপনার কয়েকটি এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। এছাড়াও, রাজধানীর উত্তরে লা গুয়াইরা ও মিরান্ডা রাজ্যের উপকূলবর্তী শহরে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে বলে দাবি ভেনেজুয়েলার স্থানীয় গণমাধ্যমের।
আরও পড়ুন:
মাদুরোর সময় ফুরিয়েছে। হাতে গোনা আর কয়েকদিনের মধ্যেই ভেনেজুয়েলায় অসম্পূর্ণ কাজ শেষ করবে যুক্তরাষ্ট্র। ৩১ ডিসেম্বর ট্রাম্পের এমন বক্তব্যের রেশ ফুরোবার আগেই ভেনেজুয়েলায় এই হামলা। সেজন্য সামরিক এ অভিযানের জন্য সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করেছেন প্রেসিডেন্ট মাদুরো। হামলার নিন্দা জানিয়ে দেশজুড়ে জারি করেছেন জরুরি অবস্থাও।
হামলার বিষয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানাতে রাজি হয়নি পেন্টাগন কিংবা হোয়াইট হাউজ। তবে মার্কিন কর্মকর্তার সূত্রে সিবিএস নিউজের দাবি, ভেনেজুয়েলায় এ সামরিক অভিযানের নির্দেশ দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেই। নির্দেশনা আছে সামরিক স্থাপনায় হামলারও।
এদিকে মার্কিন এই হামলার নিন্দা জানিয়েছেন কলোম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট। আঞ্চলিক নিরাপত্তার প্রশ্নে ও বড় ধরণের সংঘাত এড়াতে মধ্য এবং দক্ষিণ আমেরিকার আঞ্চলিক সংস্থা, এওএস এবং জাতিসংঘের মধ্যে জরুরি বৈঠকের আহ্বান জানিয়ে এক্স বার্তা দিয়েছেন তিনি।





