পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে এ প্রস্তাবের পক্ষে ভোট পড়ে ১৩০টি, আর বিপক্ষে রায় দেন ২১ আইনপ্রণেতা। বিলটিকে আইনে পরিণত করতে এখন উচ্চকক্ষ সিনেটে পাঠানো হবে। প্রস্তাবিত এ বিলে ফ্রান্সে হাইস্কুলগুলোতে মোবাইল ব্যবহার নিষিদ্ধ রাখার কথাও বলা হয়। বিলটি পাস হওয়ার পর প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ একে ফরাসি শিশু ও কিশোরদের সুরক্ষার জন্য ‘একটি বড় অগ্রগতি’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেয়া এক বার্তায় তিনি সরকারকে দ্রুত পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান, যাতে নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা যায়। তিনি লেখেন, ‘আমাদের শিশুদের মস্তিষ্ক বিক্রির পণ্য নয়।’
আরও পড়ুন:
বিলটির উদ্যোক্তা এমপি লর মিলার গণমাধ্যমকে বলেন, ‘এই আইনের মাধ্যমে সমাজে একটি স্পষ্ট সীমা নির্ধারণ করা হচ্ছে। এসব নেটওয়ার্ক মানুষকে কাছাকাছি আনার প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবে মানুষকে বিচ্ছিন্ন করেছে, তথ্য দেয়ার নামে তথ্যের চাপে ডুবিয়ে দিয়েছে এবং বিনোদনের কথা বলে ব্যবহারকারীদের বন্দি করে ফেলেছে।’
নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, রাষ্ট্রীয় মিডিয়া নিয়ন্ত্রক সংস্থা ক্ষতিকর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোর একটি তালিকা তৈরি করবে, যা ১৫ বছরের কম বয়সীদের জন্য সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে। তুলনামূলক কম ক্ষতিকর প্ল্যাটফর্মগুলোর জন্য আলাদা তালিকা করা হবে, যেগুলো ব্যবহার করতে হলে অভিভাবকদের সরাসরি অনুমতি প্রয়োজন হবে। পাশাপাশি সিনিয়র স্কুলগুলোতে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ করার কথাও বলা হয়েছে। জুনিয়র ও মিডল স্কুলে এই নিয়ম আগেই চালু রয়েছে।





