কানাডার মন্ট্রিল শহরে আয়োজিত দুই দিনব্যাপী সম্মেলন শেষে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েন। নেতারা জানান, ইইউর ২৭টি সদস্যরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যকার এই গভীর অংশীদারত্ব অভূতপূর্ব স্থিতিশীলতা ও অর্থনৈতিক সুযোগ তৈরি করবে। বাণিজ্যকে রাজনৈতিক চাপ দেয়ার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের সাম্প্রতিক প্রবণতা প্রতিরোধ করাও এই জোটের অন্যতম উদ্দেশ্য।
সম্মেলনে ইউক্রেনের জন্য ৯০ কোটি ইউরোর একটি সহায়তা ঋণে অবদান রাখতে সম্মত হয়েছে কানাডা। এছাড়া উভয় পক্ষ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), বাণিজ্য বিধিনিষেধ শিথিলকরণ এবং প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি জোরদারে একযোগে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রকেন্দ্রিক প্রতিরক্ষা ও প্রযুক্তি খাতের ওপর নির্ভরতা কমাতেই এই পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে কানাডার এআই প্রতিষ্ঠান কোহেয়ার ইনকরপোরেটেড ও জার্মানির আলেফ আলফা জিএমবিএইচ-এর মধ্যে একটি যৌথ একীভূতকরণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, যেখানে কানাডা সরকার ১৬০ কোটি কানাডীয় ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে।
ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট আন্তোনিও কস্তা এই অংশীদারত্বকে কোনো অ-ইউরোপীয় দেশের সঙ্গে ইইউর এ যাবৎকালের সবচেয়ে গভীর সম্পর্ক বলে উল্লেখ করেছেন। বৈঠকে ভবিষ্যতে কানাডাকে ইইউর সহযোগী সদস্য হিসেবে যুক্ত করার সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়। তবে অটোয়ার সঙ্গে প্রটোকলসংক্রান্ত বিরোধের জেরে এই সম্মেলন বয়কট করেন কুইবেকের প্রিমিয়ার পল সেন্ট-পিয়ের প্লামনডন।





