২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদি দেশটির প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর তার সরকারের জন্য এটিকে অন্যতম বড় রাজনৈতিক সংকট হিসেবে দেখা হচ্ছে। রামলীলা ময়দানে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে রাহুল গান্ধী বলেন, ভোটার তালিকা থেকে কোটি কোটি মানুষের নাম বাদ দেয়া প্রতিটি নাগরিকের বাকস্বাধীনতা হরণের শামিল এবং এটি রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে বিশ্বাসঘাতকতা। প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে পদত্যাগ করতে হবে এবং তার অপসারণই দেশকে সঠিক পথে ফেরানোর প্রথম পদক্ষেপ হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
বিরোধী দলগুলোর অভিযোগ, ভোটার তালিকা হালনাগাদের নামে মূলত মুসলিম এবং অন্যান্য ধর্মীয় সংখ্যালঘু ভোটারদের টার্গেট করে বাদ দেওয়া হয়েছে, যারা ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টিকে (বিজেপি) ভোট দেয় না। বাদ পড়া সাড়ে ১৩ কোটি নাম যা জাপানের মোট জনসংখ্যার চেয়েও বেশি। তবে নির্বাচন কমিশন সব অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছে, তালিকায় থাকা দ্বৈত ও অযোগ্য ভোটার সরানোর উদ্দেশ্যেই এ কাজ করা হয়েছে। ভুক্তভোগীরা নাম পুনরায় নিবন্ধনের আবেদন করতে পারবেন।
বিক্ষোভের জবাবে ভারতের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও বিজেপি নেতা জগৎ প্রকাশ নাড্ডা প্রতিবাদ সমাবেশকে একটি ‘পরিকল্পিত নাটক’ বলে অভিহিত করেছেন।
তিনি দাবি করেন, বিরোধী দলগুলো গণতন্ত্রের দোহাই দিয়ে দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টির চক্রান্ত করছে। কংগ্রেসের পাশাপাশি ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) এবং তরুণ সংগঠনগুলোর টানা বিক্ষোভের মুখে রামলীলা ময়দানজুড়ে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করে দিল্লি পুলিশ।





