বিক্ষোভের আশঙ্কায় কনট প্লেসের বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে আন্দোলনকারীদের দুটি বাসে তুলে নিয়ে যায় পুলিশ। এমনকি সন্দেহবশত একটি খাবারের দোকান থেকেও এক ব্যক্তিকে আটক করার চেষ্টা চালানো হয়, যদিও প্রতিবাদের মুখে পরে তাকে ছেড়ে দেয় পুলিশ। এছাড়া আরকে আশ্রম এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় অন্তত চারজন সাংবাদিককে সাময়িকভাবে আটক করা হয়েছিল।
এর আগে রোববার সকালে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি ভি মোহানের বিশেষ বেঞ্চ নির্দেশ দেন যে আইনের প্রতিষ্ঠিত পদ্ধতি ছাড়া নিরস্ত্র ও শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের আটক করা যাবে না। একই সঙ্গে মেট্রো ও ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রাখা, ইন্টারনেট সচল রাখা এবং সুপ্রিম কোর্ট ও আদালত চত্বর থেকে সমাবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞাসংক্রান্ত নোটিশ অবিলম্বে অপসারণের নির্দেশ দেন শীর্ষ আদালত।
আদালতের নির্দেশের পরও পুলিশের এমন ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করে সিপিআই(এম) নেতা জন ব্রিটাস বলেন, ‘শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকারীদের ওপর চরম বলপ্রয়োগ করা হচ্ছে। এভাবে এই আন্দোলন দমানো যাবে না।’ উড়োজাহাজ থেকে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকেকে আটকের ঘটনার কথা তুলে ধরে তিনি একে বেসামরিক বিমান চলাচল বিধিমালার চরম লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেন।
সিজেপির আইনবিষয়ক প্রধান রত্না সিং ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, মৌলিক অধিকার রক্ষার তাগিদে আদালতের শরণাপন্ন হতে হওয়াটাই প্রমাণ করে প্রশাসন কীভাবে ক্ষমতা অপব্যবহার করছে। এদিকে শনিবারের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে সরকারি কাজে বাধা ও পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলার অভিযোগে ইতোমধ্যে ২০টির বেশি মামলা (এফআইআর) দায়ের করেছে দিল্লি পুলিশ।





-320x167.webp)