তাইওয়ানকে মার্কিন অস্ত্র সহায়তা, ক্ষুব্ধ উত্তর কোরিয়া

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন
উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন | ছবি: সংগৃহীত
0

তাইওয়ানকে মার্কিন অস্ত্র সরবরাহ ও সামরিক সহায়তার তীব্র সমালোচনা করেছে উত্তর কোরিয়া। ওয়াশিংটনের এই পদক্ষেপ তাইওয়ান প্রণালিতে উত্তেজনা বাড়াচ্ছে বলে আজ (বুধবার, ৭ অক্টোবর ) পিয়ংইয়ংয়ের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম কেসিএনএ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে।

কেসিএনএর এক সম্পাদকীয়তে উত্তর কোরিয়ার আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক কিম ম্যং চল বলেন, তাইওয়ানের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের নীতি ওই অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতাকে নস্যাৎ করছে। তাইওয়ানে মার্কিন যুদ্ধবিমানের উপস্থিতি নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।

তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, তাইওয়ানের নিরাপত্তার জন্য চীনের মতো একটি শক্তিশালী দেশের মুখোমুখি হতে যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তুত কি না এবং এর পরিণতি মোকাবিলা করার সামর্থ্য তাদের আছে কি না, তা ওয়াশিংটনের ভেবে দেখা উচিত।

বেইজিংয়ের ক্রমবর্ধমান সামরিক হুমকির মুখে গত সপ্তাহে তাইওয়ান তাদের ক্রয়াদেশ দেয়া ৬৬টি নতুন এফ-১৬ভি যুদ্ধবিমানের প্রথম দফা (দুটি বিমান) হাতে পেয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, উত্তর কোরিয়া এখন তাইওয়ান ইস্যুতে চীনের নীতির সঙ্গে আরও দৃঢ়ভাবে নিজেদের যুক্ত করছে। গত জুনে পিয়ংইয়ংয়ে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে এক বৈঠকে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন বেইজিংয়ের ‘এক চীন’ নীতির প্রতি পূর্ণ সমর্থনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।

এদিকে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের জন্মদিন উপলক্ষে পাঠানো এক শুভেচ্ছা বার্তায় রাশিয়ার প্রতি সমর্থন অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন কিম জং উন। কেসিএনএর পৃথক এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।

কিম বলেন, দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারত্ব অনুযায়ী পিয়ংইয়ং যৌথভাবে কাজ করে যাবে। সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষায় রাশিয়ার ‘পবিত্র ও ন্যায়সঙ্গত যুদ্ধ’ শেষ পর্যন্ত বিজয়ী হবে বলে তিনি দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

দক্ষিণ কোরিয়া ও ইউক্রেনের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৪ সাল থেকে রাশিয়ার পক্ষে যুদ্ধ করতে প্রায় ১৪ থেকে ১৫ হাজার সেনা পাঠিয়েছে উত্তর কোরিয়া। ২০২৪ সালের জুনে দুই দেশের মধ্যে একটি পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি সই হওয়ার পর থেকে মস্কো ও পিয়ংইয়ংয়ের সম্পর্ক আরও জোরদার হয়েছে।

এএম