পোল্যান্ড ও লিথুয়ানিয়ার মতো ন্যাটো সদস্যরাষ্ট্রগুলোর মাঝে বেষ্টিত রাশিয়ার কালিনিনগ্রাদ অঞ্চলে সম্প্রতি ন্যাটো সামরিক মহড়া জোরদার করায় মস্কো চরম উদ্বেগ প্রকাশ করে। পুতিন স্পষ্ট করে বলেন, রাশিয়া কোনো ইউরোপীয় দেশে আগে হামলা চালাবে না। তবে ন্যাটোর মাধ্যমে সরাসরি রাশিয়ার কোনো ভূখণ্ড বা কালিনিনগ্রাদে হামলা কিংবা সমুদ্রপথে অবরুদ্ধ করার চেষ্টা হলে মস্কো কঠোর জবাব দেবে।
পুতিন বলেন, ‘যদি সরাসরি রাশিয়ার ভূখণ্ড, বিশেষ করে কালিনিনগ্রাদ বা অন্য অঞ্চলে আক্রমণ করা হয়, তবে আমাদের দেশের আর্সেনালে থাকা সব অস্ত্র ব্যবহারের বিষয়টি অপরিহার্যভাবেই এজেন্ডায় চলে আসবে। এটি এড়ানো অসম্ভব।’
বক্তব্যে ইউক্রেনের ড্রোন হামলার কারণে রাশিয়ার অর্থনীতির ওপর পড়া প্রভাবের কথাও প্রকাশ্যে স্বীকার করেন পুতিন। তিনি জানান, সাম্প্রতিক সময়ে ইউক্রেনীয় ড্রোনের আঘাতে কয়েকটি তেল শোধনাগার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় রাশিয়ার মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রায় ১ শতাংশ ক্ষতি হয়েছে এবং কৃষ্ণসাগরে বেশ কিছু রুশ জলযান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে কিয়েভের এই পদক্ষেপের বিপরীতে রাশিয়াও কিয়েভের বিদ্যুৎ ও অবকাঠামো খাতে উপযুক্ত ‘দর্পণ-প্রতিফলিত’ জবাব দিচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।
যুদ্ধের পঞ্চম বছরে দাঁড়িয়েও রাশিয়া তার সামরিক সক্ষমতা কমানোর কোনো লক্ষণ দেখাচ্ছে না। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের পর্যালোচিত বাজেট নথি অনুযায়ী, ২০২৭ সালে রাশিয়া তার প্রতিরক্ষা খাতে ১৭.১ ট্রিলিয়ন রুবল (প্রায় ২০৫ বিলিয়ন ডলার) ব্যয়ের পরিকল্পনা করেছে, যা মূল বাজেটের চেয়ে অন্তত ২৭ শতাংশ বেশি এবং ইউক্রেন আক্রমণের পর এটি সর্বোচ্চ।

 or Benjamin Netanyahu (right) are projected to win enough seats for a majority-320x167.webp)



