ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভির এক প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়, আগামী ২৭ অক্টোবরের নির্বাচনে নিজের রাজনৈতিক অবস্থান মজবুত করা এবং ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে সামরিক সংঘাতের অজুহাত তৈরি করতেই নেতানিয়াহু এই পরিকল্পনা করেন। ফলস ফ্ল্যাগ হলো এমন কোনো সাজানো ঘটনা, যা অন্য কারও ওপর দোষ চাপাতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ঘটানো হয়।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ঘটনার একদিন আগে গোপনে আবুধাবি সফরে গিয়ে আমিরাতের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বিন জায়েদের সঙ্গে বৈঠক করেন নেতানিয়াহু। দুবাই থেকে তেল আবিবগামী ওই ফ্লাইটে ১৭৪ জন যাত্রী ছিলেন। বিমানটিতে চালকদের সংঘাতের পর সেটি হঠাৎ ১৭ হাজার ফুট নিচে নেমে যায় এবং শেষ পর্যন্ত সৌদি আরবের তাবুক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করে।
ইরানের দাবি, ককপিটের ঘটনাটিকে সন্ত্রাসী হামলা হিসেবে চালিয়ে দিয়ে ওমানের নাগরিক সহ-পাইলটকে চরমপন্থি হিসেবে চিহ্নিত করার চেষ্টা করছেন নেতানিয়াহু। এমনকি ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী এ ঘটনাকে মার্কিন ৯/১১ হামলার সঙ্গে তুলনা করে এর পেছনে ইরানের হাত থাকতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন।
তবে এসব অভিযোগকে ভিত্তিহীন ও ‘ইহুদিবিদ্বেষী ষড়যন্ত্র’ আখ্যা দিয়ে তা কড়া ভাষায় প্রত্যাখ্যান করেছে ইসরাইল।
অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক সাক্ষাৎকারে দাবি করেছেন, ফ্লাইদুবাই বিমানের ককপিটে চালকের ওপর হামলার ঘটনায় ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কোরের (আইআরজিসি) সম্পৃক্ততা থাকতে পারে। ঘটনার পেছনে তেহরানের যোগসাজশ প্রমাণিত হলে তাদের ওপর ‘অত্যন্ত ভয়াবহ’ হামলা চালানো হবে বলে হুমকি দিয়েছেন ট্রাম্প।





