মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, চীনা কমিউনিস্ট পার্টির অভ্যন্তরীণ দুর্নীতিবিরোধী অভিযানের কারণে দেশটির সেনাবাহিনীর প্রস্তুতিতে বিলম্ব ঘটছে। একই সঙ্গে বেইজিং ২০২৮ সালের তাইওয়ান নির্বাচনের ফলাফলের দিকে নজর রাখছে। বেইজিং আশা করছে, ওই নির্বাচনের মাধ্যমে দেশটির ক্ষমতায় এমন একটি সরকার আসতে পারে যা চীনের সঙ্গে একীভূত হওয়ার বিষয়ে বেশি নমনীয়।
তবে ২০২৮ সালের নির্বাচনে যদি তাইওয়ানের সার্বভৌমত্বকামী ডেমোক্র্যাটিক প্রোগ্রেসিভ পার্টি (ডিপিপি) পরপর চতুর্থবারের মতো জয়ী হয় এবং বর্তমান প্রেসিডেন্ট লাই চিঙ-তে পুনর্নির্বাচিত হন, তবে বেইজিং শক্তি প্রয়োগের পথ বেছে নিতে পারে বলে মনে করছেন মার্কিন গোয়েন্দারা।
লাই চিঙ-তে ও তার দল ডিপিপি সবসময় চীনের চেয়ে তাইওয়ানের স্বতন্ত্র পরিচয়ের পক্ষে সাফাই গেয়ে আসছেন, যা বেইজিংকে ক্ষুব্ধ করে। চীন শুরু থেকেই তাইওয়ানকে নিজেদের অবিচ্ছেদ্য অংশ মনে করে এবং প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগ করে দ্বীপটিকে নিয়ন্ত্রণে নেয়ার হুমকি দিয়ে আসছে।
২০১২ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকে শি জিনপিং দেশজুড়ে দুর্নীতিবিরোধী অভিযান শুরু করেন। সম্প্রতি এ অভিযানের কারণে চীনা সেনাবাহিনীর সেন্ট্রাল মিলিটারি কমিশনের সাত সদস্যের মধ্যে সভাপতি শি জিনপিং নিজে সহ মাত্র দুজন সদস্য সক্রিয় আছেন, বাকিদের বরখাস্ত করা হয়েছে। এই আমলাতান্ত্রিক রদবদল ও প্রস্তুতির ঘাটতির কারণে আপাতত বড় ধরনের সামরিক অভিযানের পরিকল্পনা পিছিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।





