তুরস্কে স্কুলের বাইরে গুলিতে আহত ১১

ঘটনায় বিভিন্ন সরকারি সংস্থা তৎপর হয়ে ওঠে
ঘটনায় বিভিন্ন সরকারি সংস্থা তৎপর হয়ে ওঠে | ছবি: সংগৃহীত
0

তুরস্কের পশ্চিমাঞ্চলীয় মানিসা প্রদেশে একটি উচ্চবিদ্যালয়ের বাইরে গুলির ঘটনায় ১১ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরকে আটক করেছে পুলিশ। আহত ব্যক্তিদের মধ্যে দুজনের অবস্থা সংকটাপন্ন। বিবিসির প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

আজ (মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর) সকালে ইনজি উজমেজ ভোকেশনাল অ্যান্ড টেকনিক্যাল আনাতোলিয়ান হাইস্কুলের বাইরে গুলি চালিয়ে পালিয়ে যায় এক বন্দুকধারী। পরে পুলিশ সন্দেহভাজন এক কিশোরকে আটক করে।

তুরস্কের বিচারমন্ত্রী আকিন গুরলেক জানিয়েছেন, সন্দেহভাজন কিশোরের মা, বাবা ও দাদাকেও আটক করা হয়েছে। অস্ত্রটির মালিক তাঁর দাদা বলে জানা গেছে।

সিসিটিভি ফুটেজে সন্দেহভাজন কিশোরকে ফাঁকা রাস্তায় হাঁটার সময় একটি শটগান পরীক্ষা করতে দেখা যায়। পরে আরেকটি ফুটেজে তাকে অস্ত্র হাতে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যেতে দেখা গেছে। সে ওই স্কুলের শিক্ষার্থী বলে ধারণা করা হচ্ছে।

হামলার উদ্দেশ্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। তুরস্কের আইন অনুযায়ী, আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তার করার আগে কিশোরটিকে আদালতে হাজির করতে হবে।

দেশটির শিক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, এই ঘটনায় পুরো দেশ এবং বিশেষ করে শিক্ষাঙ্গন গভীরভাবে মর্মাহত হয়েছে। ঘটনার তদন্তে মন্ত্রণালয়ের তিনজন জাতীয় তদন্তকারীকে মানিসায় পাঠানো হয়েছে।

চলতি বছর তুরস্কে এটি তৃতীয় স্কুলে গুলির ঘটনা। এপ্রিলে দুটি প্রাণঘাতী স্কুল হামলার পর ব্যাপক ক্ষোভ তৈরি হয়। এরপর ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য স্কুলগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার এবং অস্ত্র নিয়ন্ত্রণে নতুন পদক্ষেপ নেয় সরকার।

এর আগে কাহরামানমারাশে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরের গুলিতে ১০ ও ১১ বছর বয়সী নয় শিক্ষার্থী এবং একজন শিক্ষক নিহত হন। পরে ওই হামলাকারী ঘটনাস্থলেই নিহত হয়।

এএম