মারণাস্ত্রটিকে সশস্ত্র বাহিনীর আধুনীকীকরণ ও অগ্রগতির প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করেন কিম। তবে এর কার্যকারিতা নিয়ে বিস্তারিত কিছু জানায়নি পিয়ংইয়ং।
এদিকে গেল রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) তিন ঘণ্টার ব্যবধানে জাপান সাগরে দু’টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়ে উত্তর কোরিয়া। পরে এ ঘটনার নিন্দা জানায় টোকিও।
পারমাণবিক শক্তিধর দেশ হিসেবে নিজেদের শক্তির জানান দিতে প্রায়ই জাপান সাগরে এমন ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালায় পিয়ংইয়ং।





