জামায়াতে ইসলামীর মুখপাত্র জানিয়েছেন, দলের আমির হাফিজ নাঈমুর রহমান আন্দোলনকারীদের বহর নিয়ে মুলতান পৌঁছালে তার সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন শাহবাজ শরিফ।
ফোনালাপে হাফিজ নাঈমুর রহমান প্রধানমন্ত্রীকে জানান, তাদের দল সরকারের সঙ্গে কোনো ধরনের সংঘাত বা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতে চায় না। তবে সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ে তারা রাজপথে নেমেছেন এবং সরকারের উচিত নাগরিকদের এই প্রতিবাদের অধিকারকে সম্মান জানানো।
জামায়াত আমির আরও উল্লেখ করেন, সফররত প্রধানমন্ত্রীর অনুরোধের বিষয়ে দলীয় অবস্থান নির্ধারণে সেন্ট্রাল ডিসিশন-মেকিং কাউন্সিল বা শূরার সঙ্গে পরামর্শ করা হবে। তবে সরকারের অনুরোধে যদি শেষ পর্যন্ত লংমার্চ স্থগিতও করা হয়, তাহলেও জনগণের স্বার্থে প্রতিবাদ কর্মসূচি অব্যাহত রাখা হবে।
এর আগে সোমবার গভীর রাতে হাফিজ নাঈমুর রহমানের নেতৃত্বে জামায়াতে ইসলামীর ট্রেন মার্চ মুলতান স্টেশনে এসে পৌঁছায়। সেখানে উপস্থিত হাজারো সমর্থকের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দেন তিনি।
সরকারের পেট্রোলিয়াম লেভি বৃদ্ধি, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি তেলের টানা মূল্যবৃদ্ধি এবং অনিয়ন্ত্রিত মূল্যস্ফীতির প্রতিবাদে গত রোববার করাচি থেকে এই লংমার্চ শুরু করে জামায়াতে ইসলামী। মুলতান ও দক্ষিণ পাঞ্জাব হয়ে পদযাত্রীদের এই বহর লাহোর পৌঁছানোর কথা রয়েছে, যা চূড়ান্ত ধাপে রাজধানী ইসলামাবাদে গিয়ে শেষ হওয়ার কথা।





