অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পর হোটেল, গেস্টহাউস বন্ধ থাকলেও পর্যটকদের আনাগোনায় কমতি নেই কলকাতায়। প্রতিদিনই বাংলাদেশ থেকে ব্যবসা, পর্যটন বা চিকিৎসার জন্য কলকাতা যাচ্ছেন বহু মানুষ। তবে পর্যাপ্ত হোটেল না পেয়ে তারা কলকাতার নিউমার্কেট এলাকা এড়িয়ে চলে যাচ্ছেন পার্শ্ববর্তী এলাকায়। আর যারা নিউমার্কেট এলাকায় থাকছেন, তাদের রুমপ্রতি গুনতে হচ্ছে বাড়তি অর্থ।
এমন অবস্থায় হোটেলভাড়া অনেকের বাজেটের বাইরে চলে গেছে। আগে যেখানে ৮০০ রুপিতে রুম পাওয়া যেত, এখন তা দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার রুপিতে। এতে বিপাকে পড়েছেন পর্যটকরা।
পর্যটকরা জানান, বিশাল পথ যাত্রা করার পর এখানে এসে হোটেল না পেয়ে বেশ ঝামেলায় পড়েছেন তারা। এছাড়া হোটেল পাওয়া গেলেও, ভাড়া বেশি হওয়ায় সেগুলো তাদের সাধ্যের বাইরে চলে গেছে বলেও জানান তারা।
আরও পড়ুন:
নিউমার্কেটের হোটেল ব্যবসায়ীরা বলছেন, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা খুবই দুঃখজনক। তবে একটি হোটেলের ঘটনায় বাকি সব হোটেল বন্ধ রাখা মানা যায় না। ক্ষতির মুখে নিউমার্কেট এলাকার হোটেল ব্যবসায়ীরা, মন্দা দেখা দিয়েছে পর্যটন সংশ্লিষ্ট অন্যান্য খাতেও।
ব্যবসায়ীরা জানান, হোটের সঙ্গে বিভিন্ন অনেক মানুষ সম্পৃক্ত। এছাড়া টুরিস্টদের জন্য এই এলাকাটা বেশ গুরুত্বপূর্ণ।
দুর্গাপূজার মৌসুমে প্রতি বছর পর্যটকদের আগমনে সরগরম থাকে কলকাতার নিউমার্কেট ও আশপাশের এলাকা। তবে এবার পরিস্থিতি পুরোই ভিন্ন। এই অবস্থা কবে স্বাভাবিক হবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তায় ব্যবসায়ীরা।
ব্যবসায়ী জানান, পর্যটকদের সেবা দিতে না পারায় তারা বেশ কষ্টে আছেন। বাংলাদেশি ও অন্যান্য দেশের পর্যটকরা এসে তাদের ওখানে থাকতে না পারাটা বেশ দুঃখজনক বলেও জানান তারা।
এমন অবস্থায় সংকট সমাধানে নিউমার্কেটের ব্যবসায়িক সংগঠন ও কলকাতা পৌরসভার কর্মকর্তাদের মধ্যে প্রথম দফার বৈঠকেও আসেনি কোনো সমাধান। আগামী সপ্তাহে আবারও বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন তারা।
পূজার আগেই হোটেলগুলো পুণরায় চালু বিষয়ে রাজ্য সরকারের কাছে আহ্বান জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। নিউমার্কেট এলাকায় প্রায় ২৫ হাজার মানুষের জীবিকা জড়িয়ে রয়েছে পর্যটন খাতের ব্যবসায়।




