আগামী ২০ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হতে যাওয়া এই বিশেষ সংরক্ষিত আকাশসীমা বেইজিংকে কেন্দ্র করে প্রায় ৬০০ কিলোমিটার ব্যাসজুড়ে বিস্তৃত। প্রায় ২ লাখ ৮০ হাজার বর্গকিলোমিটার আয়তনের এই বিশাল এলাকায় বেইজিং, তিয়ানজিনসহ কয়েকটি প্রদেশ, প্রায় ১০ কোটি মানুষ ও বেশ কয়েকটি বিমানবন্দর অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। মার্কিন ফেডারেল অ্যাভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের নথির বরাতে রয়টার্স জানায়, বাণিজ্যিক এয়ারলাইন্স, পূর্বানুমোদন পাওয়া করপোরেট ফ্লাইট এবং সামরিক ও জরুরি উদ্ধারকাজের বিমান ছাড়া সেখানে সব ধরনের ব্যক্তিগত ও সাধারণ উড়োজাহাজ চলাচল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে।
এর আগে গত ২৬ জুন বেইজিংয়ের কেন্দ্রীয় বাণিজ্যিক এলাকার ১০৮ তলা সিআইটিআইসি টাওয়ার ভবনে একটি হালকা স্পোর্টস বিমান আছড়ে পড়ে। এতে বিমানের ৬৬ বছর বয়সী পাইলট নিহত হন এবং ভবনের আশপাশে থাকা ১৩ জন আহত হন। তদন্তে জানা যায়, পাইলট অনুমোদিত পথ থেকে বিচ্যুত হয়ে ভবনে আঘাত হানেন। বেইজিংয়ের কঠোর সুরক্ষাবেষ্টিত আকাশে এই বিরল অনুপ্রবেশের ঘটনা সেখানকার আকাশপথের নিরাপত্তা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন তোলে।
নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যেসব বিমানকে চলাচলের অনুমতি দেয়া হবে, তাদের সার্বক্ষণিক ট্রাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করতে হবে এবং আকাশ থেকেই অবস্থান শনাক্ত করার ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম সচল রাখতে হবে। একই সঙ্গে সংরক্ষিত এলাকায় প্রবেশের আগেই জানাতে হবে নিরাপত্তা ছাড়পত্রের তথ্য। চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যম বেইজিং ডেইলি জানিয়েছে, রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও জনগণের জানমালের সুরক্ষা নিশ্চিত করতেই এই নতুন আকাশসীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।





